অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে লিয়াকতের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

দুদকের মামলার পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও সিলেটের জৈন্তাপুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এক টেবিলে বসে বৈঠক করছেন মন্ত্রীর সঙ্গেও।

তবে মঙ্গলবার পর্যন্ত ওই পরোয়ানা জৈন্তাপুর থানায় পৌঁছেনি বলে জানিয়েছেন থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শ্যামল বণিক।

জানা যায়, ১১ ফেব্রুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে রাজধানী রমনা থানায় মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক সাইদুজ্জামান।

দীর্ঘ ২৭ দিন পার হলেও জৈন্তাপুর থানার ওসি শ্যামল বণিক বলছেন, ‘পরোয়ানা এখনও পাইনি।’ যদিও ঢাকা জজকোর্টের দুদকের জিআরের দায়িত্বে থাকা জুলফিকার আলী বলেন, ‘৭ অক্টোবরই পরোয়ানার কপি লিয়াকত আলীর স্থায়ী ঠিকানা ও জৈন্তাপুর থানায় পাঠানো হয়েছে।’

২৯ অক্টোবর প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী, জৈন্তা গোয়াইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ আসনের এমপি ইমরান আহমেদের সঙ্গে সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে বৈঠক করেন লিয়াকত আলী।

সেখানে অন্যদের মধ্যে জৈন্তাপুর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে কামাল আহমেদ বলেন, ‘মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এটা সত্যি। সেখানে লিয়াকত আলী ছিলেন। আমিও ছিলাম। জৈন্তাপুর আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মুহিবুর রহমানও ছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে আমরা কেউই জানতাম না। তিনি এটি গোপন করেছেন।’

এ প্রসঙ্গে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমেদ মালয়েশিয়া থেকে ফোনে বলেন, ‘লিয়াকতের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির কথা আমি জানি না। গণমাধ্যমেও আসেনি। জানা থাকলে সে আমার সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ কোনোভাবেই পেত না।’

দুদক সিলেটের উপ-পরিচালক নুরে আলম বলেন, ‘এ ব্যাপারে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। শিগগির তাকে গ্রেফতারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বুধবার ঢাকার আদালতে ওই মামলায় তার হাজির হওয়ার কথা।’

এ বিষয়ে জানতে লিয়াকত আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :153 বার!

JS security