অ্যান্ড্রুকে বহিস্কার ছাড়া উপায় ছিলো না রানির, ঝুঁকিতে দুই রাজকন্যার ভবিষ্যতও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:-  কোনও সন্দেহ ছাড়াই গত কয়েক দিন ধরে দুই ব্রিটিশ রাজকন্যা ব্রিয়েত্রিচ এবং এগুইনকে খুব খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। তাদের বাবা প্রিন্স অ্যান্ডুর বিরুদ্ধে উঠেছে যৌন নিগ্রহের গুরুতর অভিযোগ।

এমনকি এজন্য তার রাজকীয় জীবনও শেষ হয়ে গেছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে দুই রাজকন্যার জন্য কি অপেক্ষা করছে। বাবার সঙ্গে তাদের রাজকীয় জীবনও কি শেষ। ক্ষতি কি প্রিন্স অ্যান্ড্রুর একার হযেছে নাকি তার পুরো ব্লাডলাইনই ক্ষতির শিকার হয়েছে। ডেইলি মেইল, সিএনএন

তবে দুজনকেই এই সপ্তাহে লন্ডনের দুটি অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে। একজন গিয়েছিলেন একটি প্রাইভেট ক্লাবে আর একজন একটি দাতব্য অনুষ্ঠানে। একজন রাজ কর্মচারী জানিয়েছেন আগের মতোই বিয়েত্রিচ ও এগুইন কিছুকিছু রাজদায়িত্ব পালন করবেন। বাকিংহাম প্যালেসের মুখপাত্র বলেন, ‘রাজকুমারিা প্রতি বছরই স্বল্প পরিসরে রাজকীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

তারা সেগুলো এখনও পালন করবেন।’ অর্থঅৎ তাদের প্যালেসের ব্যালকনি এবং বছরে দুটি গার্ডেন পার্টিতে দেখা যাবে। মাঝেমাঝে সন্ধ্যার রিসেপশনেও তারা থাকবেন। বেশ কয়েকবছর ধরেই অ্যান্ড্রু চেষ্টা করে আসছেন যেনো রাজপরিবারের ব্যবসায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান তার দুই কন্যা। জানা যায়, এজন্য তার সঙ্গে চার্লসের সংঘাতপূর্ণ দ্ব›দ্বও হযেছিলো।

কিন্তু এখন তিনি এই পদ থেকে সরে গেছেন। তাই তিনি তার কন্যাদের এখানে প্রমোট করতে পারবেন না। এটা নিশ্চিত রাজকীয় ব্যবসায় বিয়েত্রিচ আর এগুইনের আর প্রভাব বাড়ছে না।

এটা নিশ্চিত যে, রানি এলিজাবেথের নির্দেশেই নিজেকে সকল রাজকীয় কার্যক্রম থেকে সরিয়ে নিয়েছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। অনেকেই বলছেন, নিজ সন্তানকে না সরিয়েও রানি কোনও ব্যবস্থা নিতে পারতেন কিনা। রাজকীয় গবেষক ও জীবনীকাররা জানাচ্ছেন, এলিজাবেথ ২ এর হাতে আসলে অন্য কোনও বিকল্প ছিলোনা।

রাজকীয় আইন অনুযায়ীই ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছেন অ্যান্ড্রু। তবে জেফারি এপিস্টোনের মতো যৌন অপরাধীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখা অপরাধ নয়, তার অপরাধ রাজপরিবারকে সবার সামনে অপমানিত করা। আধুনিক সময় বলে বেঁচে গিয়েছেন অ্যান্ড্রু। আগে হলে তার মৃত্যুদন্ড হতো। অন্ততপক্ষে সারা জীবন কাটাতে হতো অন্ধকার কারাপ্রকোষ্ঠে।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :125 বার!

JS security