আমার দল নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেনি-আমি নির্বাচন করবো না

নিজস্ব প্রতিবেদক:- আসন্ন পঞ্চম উপজেলা নির্বাচন নিয়ে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি পাড়া গ্রামে নির্বাচনী আমেজ বইছে। কিন্তু এলাকার সিংহভাগ মানুষের মনে নির্বাচনী আমেজ নেই তাদের পছন্দের প্রার্থীরা না থাকায়। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় যে কয়জন ক্লিনইমেইজের রাজনীতিবীদ আসেন তাদের মধ্যে একজন কর্মী বান্ধব নেতা হলেন দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক বর্তমান ইউপি সদস্য মো. আব্দাল মিয়া। তিনি তার শৈশব থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির প্রতিষ্টাতা সাবেক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে রাজনীতি করে আসছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে থাকায়, দলের বিভিন্ন কর্মসুচী আপ্রাণ ভাবে পালন করে আসছেন৷ গত জাতীয় নির্বাচনের সময় তিনি স্থানীয় থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘ দুই মাস যাবত কারাভোগ করেন। এই আব্দাল মিয়া দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে না থাকায়, তার রাজনেনিক কর্মী সমর্থকদের মনে হতাশা বিরাজ করছে। আব্দাল মিয়ার অনেক সর্মথকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে হতাশা প্রকাশ করার পাশাপাশি বাংলার দর্পনকে জানান , আমাদের নেতা আনন্দোলন সংগ্রামের প্রথম শারির নেতা। আমাদের দেখামতে তিনি দীর্ঘকাল যাবত দলের জন্য অনেক কিছু করেছেন। গত জাতীয় নির্বাচনের সময় কারাভোগ ও করেন। এই নেতা দলের প্রতি আস্থা সম্মান আছে বলেই এ উপজেলা নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন নাই। আর দল যেহেতু এই নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেনি। এখানে তিনি অংশ গ্রহন না করা টা আমরা উত্তম মনে করি। আর যে বা যারা এই নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেছেন, উনার আসলেই সুবিধাভোগী বসন্তের কুকিল। এদের জন্য আজ বিএনপি নামক দলের এই করুন অবস্থা। এব্যাপারে মো. আব্দাল মিয়া বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবত আমার দল বিএনপির জন্য সব কিছু বির্সজন দিয়েছি। অনেক কিছু ত্যাগ ও করেছি। বিগত নির্বাচনের সময় জেল ও কেটেছি। মোঠকথা সব কিছু বির্সজন দিয়ে আমি দলের সাথে আছি। আর আমি মরহুম সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়ার আদর্শে রাজনীতি করি। শহীদ জিয়ার আদর্শের প্রতিটি বিষয় বস্তু আমার শরীরের শিরায় উপশিরায় বিদ্যমান। আমি আমার দলের নীতিতে সর্বক্ষণ অটল। আমার দল উপজেলা নির্বাচনে যেহেতু যায়নি, আমি যাব কেন,।আমি আমার দলের দিকে চেয়ে আছি।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :445 বার!

JS security