উত্তাল গাজা, ইসরাইলি সেনার গুলিতে নিহত ৪৩ ফিলিস্ত্মিনি

গ্লোবাল সিলেট ডেস্কঃ-  ক্ষুব্ধ ফিলিস্ত্মিনিরা জেরম্নজালেমে মার্কিন দূতাবাস খোলার উদ্যোগকে পুরো নগরীর ওপর ইসরাইলের শাসনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের স্পষ্ট সমর্থন হিসেবেই দেখছে। যে জেরম্নজালেমের পূর্বাঞ্চলকে ফিলিস্ত্মিনিরা নিজেদের বলে দাবি করে আসছে।
সোমবারের বিক্ষোভ-সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে ১৪ বছরের এক বালক এবং হুইলচেয়ারে চলাফেরা করা এক ব্যক্তিও রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে হুইলচেয়ারে বসা এক ব্যক্তিকে গুলতি দিয়ে পাথর ছুড়তে দেখা যায়।
‘গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন’ আন্দোলনের অংশহিসেবে গাজার শাসনক্ষমতায় থাকা হামাসের নেতৃত্বে ফিলিস্ত্মিনিরা গত ছয় সপ্তাহ ধরে সীমান্ত্মে বিক্ষোভ করে আসছেন। বিক্ষোভকারীরা বেষ্টনি ভাঙার চেষ্টা করছেন। বিক্ষোভে ৩৫ হাজার ফিলিস্ত্মিনি অংশ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে ইসরাইল।
নিজ ভূমিতে ফেরত যাওয়ার অধিকারের দাবিতে গত ৩০ মার্চ থেকে ফিলিস্ত্মিনিরা গাজা সীমান্ত্মে বিক্ষোভ শুরম্ন করেন। বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত্ম ৭৩ ফিলিস্ত্মিনি নিহত হয়েছেন।
এই হত্যাকা- নিয়ে আন্ত্মর্জাতিক বিশ্ব উদ্বেগ প্রকাশ করলেও যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকেই সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।
সোমবার বিকালে জেরম্নজালেমে মার্কিন দূতাবাস উদ্বোধনের কথা রয়েছে।
দূতাবাস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কা ও তার স্বামী জারেড কুশনার ইসরাইল পৌঁছেছেন। তারা দুইজনই হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা।
কুশনার-ইভাঙ্কা দম্পতির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্টিফেন মিউচিন ও উপ-পরাষ্ট্রমন্ত্রী জন সুলিভান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
তেল আবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস জেরম্নজালেমে সরিয়ে আনার এই সিদ্ধান্ত্মকে ইসরাইল প্রশংসা করলেও ফিলিস্ত্মিনিরা মার্কিন এই সিদ্ধান্ত্মের নিন্দা জানিয়ে এর প্রবল বিরোধিতা করেছে। দূতাবাস উদ্বোধনের বিরম্নদ্ধে গণপ্রতিবাদের জন্য জেরম্নজালেমে জমায়েত হচ্ছেন তারা।
জেরম্নজালেমকে নিজেদের ‘শাশ্বত ও অখ-‘ রাজধানী বলে বিবেচনা করে ইসরাইল। অপরদিকে, ফিলিস্ত্মিনিরা তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে পূর্ব জেরম্নজালেম দাবি করে। তারা ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত্মে অত্যন্ত্ম ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
গত বছর জেরম্নজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এর মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ থাকার কয়েক দশক ধরে অনুসৃত নীতি থেকে সরে আসে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত্মের সমালোচনা করে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :471 বার!

JS security