একলাস মোল্লাহ ও ডিপজলের কাছে মনোনয়ন পত্র বিক্রী করেনি আওয়ামীলীগ

 


ঢাকা–১৪ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে গিয়ে বিফল হয়েছেন এখলাস উদ্দিন মোল্লাহ ও চলচ্চিত্র তারকা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। তাঁরা দুজনই দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত।

আওয়ামী লীগের ফরম বিক্রির সঙ্গে যুক্ত সূত্র বলছে, গত মঙ্গলবার দুপুরের পর এখলাস মোল্লাহ নেতা–কর্মীসহ আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে যান। একই সময়ে মনোয়ার হোসেন ডিপজলও ফরম সংগ্রহের লক্ষ্যে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁর সঙ্গে চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও কয়েকজন অভিনেতা ছিলেন।

এখলাস মোল্লাহ মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে গেলে ধানমন্ডি কার্যালয়ের কর্মীরা সেখানে উপস্থিত নেতাদের তা জানান। এখলাস মোল্লাহকে আওয়ামী লীগ বা এর সহযোগী কোনো সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদ কিংবা কোনো পদ আছে কি না, তার প্রমাণপত্র সংগ্রহের পরামর্শ দেন। সে মোতাবেক কর্মীরা এখলাস মোল্লাহর কাছে আওয়ামী লীগ করার প্রমাণপত্র চান। তবে তিনি তা দেখাতে পারেননি। তিনি বারবার বলার চেষ্টা করেন যে তিনি একসময় বিএনপি করলেও এখন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন। কিন্তু তাঁর কাছে ফরম বিক্রি করা হয়নি। আর এটা দেখে ডিপজল আর ফরম সংগ্রহের জন্য চেষ্টা না চালিয়ে ফিরে যান।

এখলাস উদ্দিন মোল্লাহ ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির মনোনয়নে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছিলেন। তিনি ঢাকা মহানগর বিএনপির সহসভাপতিও ছিলেন। অবশ্য তাঁর ভাই ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ ২০০৮ সাল থেকে টানা তিনবার ঢাকা-১৬ আসনের সাংসদ। অন্যদিকে মনোয়ার হোসেন ডিপজল গাবতলী এলাকায় বিএনপির সমর্থনে ঢাকা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ছিলেন।

এই বিষয়ে আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান বলেন, এখলাস উদ্দিন মোল্লাহ ও মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিষয়ে তাঁদের দলের নেতা–কর্মীদের বিরূপ প্রতিক্রিয়া আছে। নেতা–কর্মীদের প্রতিক্রিয়াকে সম্মান দেখিয়ে তাঁরা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত, এমন তথ্য–প্রমাণ চান। কিন্তু তাঁরা তা দেখাতে পারেননি। এ জন্য ফরম বিক্রি করা হয়নি।

সাংসদ আসলামুল হক মারা যাওয়ার পর ঢাকা–১৪ আসন শূন্য হয়। আগামী ২১ জুলাই এই আসনের উপনির্বাচন করার তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আওয়ামী লীগ ৪ জুন থেকে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের লক্ষ্যে ফরম বিক্রি শুরু করেছে। চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :33 বার!

JS security