কী হয়েছে সৌদি যুবরাজের

কী হয়েছে সৌদি যুবরাজের

তবে, গোলাগুলির ঘটনার পরও মোহাম্মদ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে দাবি অনেকেরই। এমন দাবি করে রাশিয়ার বার্তা সংস্থা স্পুটনিক বলেছে, অভ্যুত্থানচেষ্টার সপ্তাহখানেক পরে কয়েকশ কোটি ডলারের একটি এন্টারটেইনমেন্ট রিসোর্ট কিদিয়ার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও বাদশাহ সালমানের পাশে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে দেখা গেছে। নানান আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের ব্যক্তিগত দফতরের পরিচালক বাদের আল-আসাকের টুইটারে সৌদি যুবরাজের সঙ্গে আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, বাহরাইনের বাদশাহ বিন ইসা ও মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির একটি গ্রুপ ছবি পোস্ট করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘কয়েক দিন আহে দুই ভাইয়ের এক বন্ধুত্বপূর্ণ বৈঠক আয়োজন করেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি। তবে ছবিটি কত তারিখের তা জানাননি ওই কর্মকর্তা।’ অন্যদিকে, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স নিয়ে ইরানের খবরকে সন্দেহের চোখে দেখছে পুরো বিশ্বই। কারণ মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বাড়ানোকে কেন্দ্র করে সুন্নি প্রধান সৌদি আরবের সঙ্গে শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ ইরানের মতবিভেদ কয়েক দশক ধরেই। সর্বশেষ ইয়েমেন ও সিরিয়া যুদ্ধেও তাদের অবস্থান একে অপরের বিপক্ষে। এ ছাড়া রিয়াদে হুতিদের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও দুই দেশের টানাপড়েন আরও বাড়িয়েছে। ইরানের অভিযোগ সৌদি আরব ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করে চলেছে। এরই মধ্যে গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বলেছেন, ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বেধে যেতে পারে। তাই সংঘর্ষ এড়াতে তেহরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছিলেন সৌদি ক্রাউন প্রিন্স। এসব বিরোধের কারণেই খবরকে পুরোপুরি বিশ্বাস করছে না বিশ্ব। কিন্তু ক্রাউন প্রিন্সের গণমাধ্যমে অনুপস্থিতি সবাইকে ফেলেছে দোটানায়।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :375 বার!

JS security