গ্রামীন নেটওয়ার্ক সমূদ্রের ৩৮ কিলোমিটার পানির নীচে মিললেও মেলে না ঘরের ভিতরে !

গ্লোবাল ডেস্ক:- সারাদেশে গ্রামীণফোন ফোনের টাওয়ার থাকলে ও নেট ওয়ার্ক আত্যন্ত দুর্বল।  দেশের বিভিন্ন  বিভাগের জেলাও উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে নেট ওয়ার্ক শুধু যাওয়া ও আশার মধ্যে সীমাবদ্ধ।  বিশেষ করে সুনামগঞ্জের দিরাই-শাল্লায় এর বাস্তব প্রমান মিলে।  ইন্টারনেট 4G-3G র” কথা জোড়ালো ভাবে বললেও এর কোন সমাধান হচ্ছেনা।  তাছাড়া  সর্ব-শেষ জেলা নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিন্যাকুড়ি-উত্তর বড়ভিটা গ্রাম। আশেপাশের আর দশটা গ্রামের থেকে এই গ্রাম নিজেকে আলাদা করেছে শিক্ষার দিক দিয়ে।  এখানে আছে অত্র এলাকার সব থেকে পুরনো প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি উচ্চ বিদ্যালয়।  যেখান থেকে শিক্ষা গ্রহন শেষে অনেকেই পৌঁছে গেছেন দেশের সকল উচ্চ পর্যায়ে।  শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রগামী এই জনপদের মানুষ সকল সুযোগ-সুবিধা হাতের নাগালে পেলেও ইন্টারনেটের যুগে কাঠখড় পোহাতে হয় নেটওয়ার্ক পেতে। এই গ্রামের শতকরা ৯০ ভাগ মানুষ গ্রামীনফোন ব্যাবহার করে আসছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, কোন বাড়ির ভিতরে ইন্টারনেট তো দুরের কথা সামান্য কথা বলার নেটওয়ার্ক ও পাওয়া দুষ্কর। এ ব্যাপারে বহুবার এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হলেও কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এই গ্রামের বাজারে আশা নামক এনজিও এর উদ্যোগে স্বল্প পরিসরে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যাবস্থা চালু ছিলো। স্বভাবতই এর জন্য ইন্টারনেট অতীব জরুরী। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের একমাত্র প্রশিক্ষক জুয়েল ইসলাম বলেন,’আমাদের গ্রামের ঘরের ভিতরে ঢুকলে গ্রামীনফোনের কোন নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না।এমন অবস্থায় ইন্টারনেট ছাড়া পাঠদান একেবারে দুরুহ হয়ে পড়েছে। ২০১৬ সাল থেকে আমি গ্রামীনফোনে অভিযোগ জানিয়ে আসলেও এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য তারা কোন প্রকার উদ্যোগ নেয়নি।অন্যদিকে গ্রামীনফোন দাবি করছে সমূদ্রের ৩৮ কিলোমিটারেও মিলে তাদের নেটওয়ার্ক,এটা গ্রাহকদের সাথে এক ধরনের প্রতারণার সামিল বলে আমি মনে করি।’

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :74 বার!

error: Content is protected !!
JS security