ছাতকের সাথে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ছাতক প্রতিনিধি :: টানা তিনদিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নদনদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ভয়াবহ বন্যায় ছাতক-সিলেট সড়কের একটি অংশ তলিয়ে যাওয়ায় সুনামগঞ্জের ছাতক শহরের সাথে সারা দেশের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

শনিবার রাত ১০টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পৌর শহরের প্রায় সবকটি সড়কে পানি উঠে গেছে। শহরের অলি-গলি, বাসা-বাড়ি ও আঙ্গিনায় বন্যার পানি প্রবেশ করায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে শহরবাসী। এছাড়া সুরমা, চেলা, পিয়াইন, বটেরখাল, কাকুরা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় সকাল থেকেই একের পর এক গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে গিয়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়।

উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের প্রায় ৮০% মানুষ পানিবন্দী ছাড়াও সবকটি ইউনিয়নের হাটবাজার, অনেকের ঘরবাড়ি ও বাড়ির আঙ্গিনায় বন্যার প্লাবিত হয়ে ঘর বন্দী হয়ে আছেন মানুষ।

আকস্মিক বন্যায় ভেসে গেছে শতাধিক মৎস্য খামারের মাছ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শাকসবজির বাগান ও ক্ষেতের ফসল। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্র অনুযায়ী ছাতক পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ১৬০ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। চেলা ও পিয়াইন নদীর পানি বিপদসীমার ১৮০ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এদিকে বন্যায় মধ্যে হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে উপজেলার ধারন বাজার এলাকার ৪০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাতক্ষনিকভাবে এসব পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম কবির।

ছাতক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ গোলাম কবির জানান, উপজেলা পরিষদ চত্বর, পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা এবং উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও রাস্তাঘাটে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। নদ নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এখানে প্রবল বন্যার আশংকা করা হচ্ছে। কন্ট্রোল রমের মাধ্যমে বন্যা পরিস্থিতির সার্বক্ষনিক খবরা-খবর রাখা হচ্ছে। তিনি সবাইকে সতর্ক থাকা এবং দূর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার আহবান জানিয়েছেন।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :318 বার!

JS security