তাহিরপুরে ওসির আতঙ্কে মামলার আসামীরা দিশেহারা

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :- সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার এক আতঙ্কের নামে পরিনত হয়েছে ওসি নন্দন কান্তি ধর। তার আতঙ্কে রাতের ঘুম হারাম করে দিশেহারা হয়ে পড়েছে বিভিন্ন মামলার আসামী ও সরকার বিরোধীরা। তিনি এই উপজেলার আইনশৃংখলা বজায় রাখার জন্য সার্বক্ষনেই তার অধিনস্থদের নিয়ে দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করছেন। ফলে এই এলাকার বিভিন্ন অপকর্ম করতে না পারায় অপরাধী ও এর সাথে জড়িতরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। আর অপর্কমকারী,সরকার বিরোধী ও সমাজের শান্তি বিনষ্টকারীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কিছু স্বার্থনেশী মহল কোন প্রকার সুযোগ সুবিধা না পাওয়ায় তার বিরোদ্ধে বিভিন্ন ভাবে কুৎসা রটনা চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন ভাবে। এতে ক্ষোভ জানিয়েছেন এলাকার সুধিজন। কুৎসা রটনা থেমে জান নি ওসি নন্দন কান্তি ধর। বরং দ্বীগুন উদ্দম্যে তার উপর নির্ধারিত দায়িত্ব প্রালন করছেন জো্রালো ভাবে নিয়ম অনুযায়ী।এলাকাবাসী্র কাছ থে্কে জানাযায়,ওসি নন্দন কান্তি ধর তাহিরপুর থানায় যোগদান করার পর এলাকার আইনশৃংখলা থেকে শুরু করে মদ,গাজা,ইয়াবা ট্যাবলেটসহ বিভিন্ন অপকর্ম ব্যাপক হারে কমে গেছে। বিপুল পরিমান মদ,গাজা,ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ীদের বিরোদ্ধে অভিযান চালিয়ে আটক এবং বিভিন্ন মামলার আসামী গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করেছেন। তার চেষ্টার তাহিরপুর থানা এখন মদক মুক্ত। সবাই নিরাপদে অবস্থান করছে। যার জন্য তিনি ৩বার জেলার মধ্যে উপজেলার শ্রেষ্ট অফিসার হিসাবে পুরুষ্কৃত করেছেন সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার বরকত উল্লাহ খানঁ। তার এই সফলতায় সাধুবাদ জানিয়েছে এলাকার সচেতন মহল। তাদের দাবী ওসি নন্দন কান্তি ধরের মত পুলিশ অফিসার এলাকা ও পুলিশ প্রশাসনের গৌরব।বাদাঘাট ডিগ্রি কলেজের অধ্যাক্ষ জুনাব আলীসহ স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন,ওসি নন্দন কান্তি ধরের মত পুলিশ অফিসার প্রতিটি থানায় প্রয়োজন। আমরা উনার মত একজন সৎ,যোগ্য ও ন্যায় পরায়ন পুলিশ অফিসার তাহিরপুর থানায় পায় নি। এর পূর্বে ছিলেন আরেক পুলিশ অফিসার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ। বর্তমান ওসি কোন দলমত দেখছে না যে অন্যায় করছে তার বিরোদ্ধেই প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছে। যা প্রশংসার দাবী রাখে।ওসি নন্দন কান্তি ধর বলেন,আমি আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিক ভাবে সবোর্চ্চ সময় দিয়ে পালন করার চেষ্টা করি। এতে করে কারো উপকার হয় আবার কারো ক্ষতি হয়। তবে আমি আমার দায়িত্ব সততার সাথে পালন করে থাকি আর আগামীতেও পালন করব।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :614 বার!

JS security