দিরাই সরকারি কলেজের ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু

এ সময় পরিবারের কেউ বাড়িতে ছিল না। তার মৃত্যু নিয়ে প্রতিবেশী ও স্বজনরা ভিন্ন ভিন্ন কথা বলছেন। তিনি উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের টুক দিরাই গ্রামের রণদা প্রসাদ দাসের মেয়ে এবং দিরাই সরকারি কলেজের ডিগ্রি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

জানা যায়, মৌসুমির বাবা রণদা প্রসাদ দাসের পৈত্রিক নিবাস দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার আন্দাবাজ গ্রামে। দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শ্বশুরালয় টুকদিরাই গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছেন।

গত শুক্রবার মৌসুমির মা শাল্লা উপজেলার শাশখাই গ্রামে তার বড় মেয়র বাড়িতে যান বেড়াতে। বাড়িতে মৌসুমি ও তার বাবা ছিলেন। পাশের ঘরে দুই মামা অম্লান দাস ও অমিত দাসের বসবাস। মা বাড়িতে না থাকায় মামাদের ঘরেই খাওয়া-দাওয়া করতো বাবা মেয়ে।

মৌসুমির বাবা জানান, সোমবার সকাল ৯টার দিকে মেয়েকে বাড়িতে রেখে ডিম নিয়ে বাজারে যান। ১১টার দিকে বাড়ি ফিরে দেখেন বাড়িতে অনেক লোকজন। তার শ্যালক অমিতসহ অনেকেই মৌসুমিকে পানির ঝাপটা দিয়ে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করছেন।

এ সময় অমিত জানান, মৌসুমি অসুস্থ হয়েছে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালে লাশের সাথে থাকা প্রতিবেশী মিতালী দাস জানান, তাদের চিৎকার শুনে গিয়ে দেখি মৌসুমীকে পানির ঝাপটা দেওয়া হচ্ছে। লোকজন বলছে সে গলায় ফাঁস দিয়েছে।

ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, মৌসুমির বাবা আমাদের অফিসে জানায় তার মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্ম হত্যা করেছে। এই খবর পেয়ে আমি হাসপাতালে এসেছি।

দিরাই থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেএম নজরুল জানান, পরিবারের লোকজন লাশটি হাসপাতালে নিয়ে এসে আমাদের খবর দেয়। তারা বলছেন মেয়েটি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। লাশটি ময়না তদন্তের জন্য সুনামগঞ্জে প্রেরণ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :366 বার!

error: Content is protected !!
JS security