নবীগঞ্জে বিএনপি’র নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা

 

নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল স্থগিত হওয়ায় নেতাকর্মীদের মাঝে চরম হতাশা ও ক্ষোভ পরিলক্ষিত হচ্ছে। আগামী ৬ মার্চ উক্ত কাউন্সিল অনুষ্টিত হওয়ার কথা ছিল। কাউন্সিলকে সামনে রেখে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছিল। এ লক্ষ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে মনোনয়ন দাখিল, প্রতীক বরাদ্ধ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন গঠিত নির্বাচন কমিশন।

১৩ ইউনিয়নে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সবাই দলীয় কাউন্সিলর হিসেবে সিদ্ধান্ত থাকায় মোট ভোটার ৯২৩ জন। প্রার্থীরা তাদের র্নিঘুম প্রচার প্রচারনায় ব্যস্থ। ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও পোষ্টারে ছেয়ে গেছে সমগ্র উপজেলা। কাউন্সিলের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার এক পর্যায়ে গত ২৬ ফের্রুয়ারি সন্ধ্যায় কেন্দ্র থেকে অনিবার্যন কারন বশতঃ কাউন্সিল স্থগিতের সিদ্ধান্ত আসে।

ফলে প্রার্থী ও সাধারণ কাউন্সিলরদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশা লক্ষ্য করা গেছে। দলের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীরা বলেন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতি তারা শ্রদ্ধাশীল। তবে কাউন্সিল ব্যতিত গোপনে পকেট কমিটি দিলে দূর্বার আন্দোলন হবে। উল্লেখ্য প্রায় এক যুগের বেশী সময় ধরে নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্টিত হয়নি। নেতাকর্মীদের তোপের মুখে শেষ পর্যন্ত ২০১৯ সালে আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়।

উক্ত আহ্বায়ক কমিটি উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের কমিটি গঠন করে জেলা বিএনপির সাথে যোগাযোগমুলে আগামী ৬ই মার্চ নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলের তারিখ নির্ধারণ করে তাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন। কিন্তু গত ২৬ ফের্রুয়ারি সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় বিএনপির বরাত দিয়ে গঠিত নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার এড. সুফি আহমদ অনির্বায কারন বশতঃ কাউন্সিলর স্থগিতের ঘোষনা করেন।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :109 বার!

JS security