নারীঘটিত বিষয় নিয়ে’ নৈশপ্রহরীকে হত্যা

গ্লোবাল ডেস্কঃ- কুমিল্লার চান্দিনায় মহাসড়কে নৈশপ্রহরী নাছির উদ্দিনের ছিন্নভিন্ন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার পাঁচ দিন পর হত্যার ক্লু খুঁজে পেয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটকের পর তাদের মধ্য থেকেই প্রকৃত হত্যাকারীকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয় পুলিশ। হত্যার একদিন পর টাকার জন্য নাছিরকে হত্যা করা হয়েছে বলে এলাকায় গুঞ্জন সৃষ্টি হয়।

তবে পুুলিশের একাধিক সূত্রে জানা যায়, দোকানি নাছির উদ্দিনকে অর্থের জন্য নয়, বরং হত্যাকারীদের নারীঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে নিরপরাধ নাছিরকে কোপানো হয়। হত্যাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে শতচেষ্টা করেও শেষ রক্ষা হয়নি তার। গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে অবশেষে নাছিরের মরদেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে মহাসড়কের দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তিনটি ইউনিট মাঠে নামে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করে। তারা হলেন- চান্দিনার নাওতলা গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেন, একই গ্রামের আল-আমিন ও সোহাগ। তাদের মধ্যে একজনের তথ্যে হত্যার ক্লু খুঁজে পাওয়া যায়।

কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত  কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল আজিম জানান, আমরা হত্যার ক্লু খুঁজে পেয়ে রহস্য উদঘাটনের খুব কাছাকাছি চলে এসেছি। তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত জানানো যাচ্ছে না।

প্রসঙ্গত, ১২ জানুয়ারি রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নাওতলা আলিম মাদ্রাসা সংলগ্ন একটি মার্কেটে নৈশপ্রহরীর কাজ করতেন নাওতলা গ্রামের রবিউল্লাহ। ওই মার্কেটে চা দোকানের ব্যবসা করতেন রবিউল্লাহর ছেলে নাছির উদ্দিন। রবিবার রাতে রবিউল্লাহ শারীরিক অসুস্থতার কারণে নৈশপ্রহরীর দায়িত্ব পালন করেন ছেলে নাছির উদ্দিন।

রাতের কোন এক সময়ে হত্যাকারীরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ মহাসড়কে ফেলে দেয়। রাতে গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে মহাসড়কের দেড় কিলোমিটারজুড়ে মরদেহের বিচ্ছিন্ন অংশ পড়ে থাকে। সকালে দেহের অংশ বিশেষ উদ্ধার করে পুলিশ।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :209 বার!

JS security