মহাসড়কের জমি বন্ধক রেখে ব্যাংক ঋণ, সেই প্রতারক গ্রেফতার

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কিছু অংশ বন্ধক রেখে ব্যাংক ঋণ নেওয়া সেই গোলাম ফারুককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন—র‍্যাব। অন্য একটি মামলায় গ্রেফতারের পর র‍্যাব রেকর্ড ঘেঁটে তার তার ‘মহাসড়ক কাণ্ডের’ বিষয়ে তথ্য পায়।

গোয়েন্দা নজরদারিতে অবস্থান শনাক্ত করার পর গোলাম ফারুককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে র‍্যাবের একাধিক ঊদ্ধর্তন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

আবুল হোসেন নামে এক প্রতারক বিক্রি করেন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কিছু অংশ। গোলাম ফারুক মহাসড়কের সেই অংশটি কিনে তা বন্ধক রেখে ব্যাংক থেকে ১৫ কোটি টাকা ঋণও নেন। ঋণের টাকা না পেয়ে বেসরকারি সেই ব্যাংকটি খোদ মহাসড়কের ওই অংশ নিলামে তুললে এ ঘটনা সংবাদমাধ্যমে খবর হয়ে আসে। এরপর চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করে।

ওই সময় মহাসড়ক বিক্রেতা আবুল হোসেন দাবি করেছিলেন, ২০০৬ সালে ৫৮২৫ নম্বর খতিয়ানের মহাসড়কের ২৪ শতাংশ জমি তার নামে দেয় ভূমি রেকর্ড ও ভূমি অধিদপ্তর। আবুল হোসেন মহাসড়কের কিছু অংশ বিক্রি করে দেন গোলাম ফারুকের কাছে। গোলাম ফারুক সেই জমি ব্যাংকে বন্ধক রেখে রীতিমতো ১৫ কোটি টাকা ঋণ নেন। তবে ঋণ পরিশোধ না হওয়ায় মহাসড়কের সেই অংশটি নিলামে তোলে ব্যাংক। অবশ্য এ বিষয়ে ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।

মহাসড়ক বিক্রি করে তা দিয়ে আবার ব্যাংক ঋণ—এমন কাণ্ডে বিষ্ময় প্রকাশ করেছিলেন খোদ ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। আলোচিত এই কাণ্ডে তদন্ত কমিটি করা হয়। গেল ফেব্রুয়ারিতে সেই কমিটি নিলামে মহাসড়ক বিক্রির ঘটনায় ভয়াবহ জাল-জালিয়াতির প্রমাণ পায়।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :204 বার!

JS security