লিবিয়ার গাদ্দাফিকে ভুলতে পারেনি আফ্রিকার মানুষ

 

লিবিয়ার গাদ্দাফিকে ভুলতে পারেনি আফ্রিকার মানুষ

বিবদমান পক্ষদ্বয় যখন পারস্পরিক হানাহানিতে লিপ্ত তখনই সরকারি বাহিনী ফরাসি সৈন্যদের সহায়তায় বিদ্রোহীদের হটিয়ে পুনর্দখল করে নেয় উত্তর মালি। কিন্তু এলাকার দখল হারালেও ঘরে ঘরে বিস্মৃত হয় অস্ত্রের দাপট। লোকবল, অর্থবল আর সামর্থ্যের অভাবে অধিকাংশ এলাকাতে সরকার প্রকৃত অর্থে আর পুনঃস্থাপিত হয়নি। বিচ্ছিন্ন অস্ত্রধারীরা সে সুযোগই এখন নিচ্ছে। ভোটের হাওয়া বইছে না : মালি সরকার, ফ্রান্সের দুর্ধর্ষ বারখান, পার্শ্ববর্তী দেশ নিয়ে গঠিত জি-৫ এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর ক্রমাগত তৎপরতা সত্ত্বেও মালিতে সংঘাত বেড়েই চলেছে। শান্তিরক্ষীরা তাদের অন্যতম টার্গেট হলেও বাদ যাচ্ছে না সাধারণ মানুষসহ কোনো পক্ষই। আক্রান্ত না হলে শান্তিরক্ষীরা অস্ত্র ব্যবহার করে না এই বিশ্বাসে তারা এখন সহজ টার্গেটে পরিণত হচ্ছে। এমন কোনো সপ্তাহ নেই যে, এভাবে লোকজন নিহত হচ্ছে না। এদিকে বর্তমান প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আগামী ২৯ জুলাই মালিতে সাধারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষিত হয়েছে। কিন্তু এ নির্বাচন নিয়ে উত্তরের মানুষের তেমন আগ্রহ নেই। তারা নিজেদের জানমালের নিরাপত্তা এবং খাদ্যের সংস্থান নিয়েই চিন্তিত। খোদ রাজধানীতেও ভোটের হাওয়া বইছে না। আর মাত্র দুই মাস আছে সামনে। সরকারের ভোট নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো কোনো চাঞ্চল্য নেই।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :523 বার!

JS security