সাংবাদিকতা কতটা মুক্ত

আজ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংবাদকর্মীদের অধিকারের পক্ষে জাতিসংঘ ঘোষিত এ দিবস যখন পালিত হচ্ছে তখন বাংলাদেশের গণমাধ্যম আদৌ কতটা স্বাধীন বা মুক্ত এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংবাদকর্মীরাইবা নিজেদের পেশায় কতটা নিরাপদ সে প্রশ্নও আছে অনেকের মধ্যে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষমতাসীন দল, ক্ষমতাশালী বিভিন্ন ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সংস্থা বা প্রেসার গ্রুপের কাছে গণমাধ্যম এখন অসহায়। উগ্র ফ্যাসিবাদও এখন মুক্ত সাংবাদিকতার অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে এ মাধ্যমের কর্মীরা এখন ঝুঁকিতে রয়েছেন।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংস্থা রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ) তাদের প্রতিবেদন-‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচক-২০১৮’তে বলেছে, শুধু অনুন্নত বা উন্নয়নশীল বিশ্বেই নয়, পশ্চিমা উন্নত দেশগুলোতেও গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে শত্রুতা সৃষ্টির উসকানি দিচ্ছেন শাসকরা। যেটাকে গণতন্ত্রের জন্য বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কর্তৃত্বপরায়ণ বা স্বৈরতান্ত্রিক দেশগুলোতে যে ধরনের বৈরিতার মুখে পড়ে গণমাধ্যম সে ধরনের পরিস্থিতি পশ্চিমের পরিণত গণতন্ত্রের দেশগুলোতেও বিরাজ করছে বলে তারা মন্তব্য করেছেন।

তাদের গবেষণাভিত্তিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে বর্তমানে ভয়াবহ রকমের ‘সেলফ সেন্সরশিপ’-এর মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। তারা বলেছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের অধিকারে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৬। দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও কর্মীদের নিরাপত্তা দিন দিন অবনমিত হচ্ছে। গত বছরও বাংলাদেশ একই অবস্থানে থাকলেও স্কোরের দিক থেকে দেশের পরিস্থিতি এ বছর আরও খারাপ হয়েছে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশের নেতিবাচক স্কোর ছিল ৪৮ দশমিক ৩৬। আর এ বছর তা বেড়ে হয়েছে ৪৮ দশমিক ৬২। অথচ আফ্রিকার উগান্ডার মতো দেশ বাংলাদেশের চেয়ে ২৯ ধাপ এগিয়ে রয়েছে। ১৮০টি দেশের সূচকে দেশটির অবস্থান ১১৭।

রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স বাংলাদেশে সাংবাদিক ও ব্লগারদের ওপর উগ্রপন্থীদের হামলা এবং হুমকিকে বাক-স্বাধীনতায় অন্যতম বাধা হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলদেশে সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহত হামলা ও মামলার কারণে সেলফ সেন্সরশিপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশে অন্তত ২৫ সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের আওতায় কয়েকশ ব্লগার ও ফেসবুক ব্যবহারকারী বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন।

এদিকে বেলজিয়ামভিত্তিক আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ফেডারেশন সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অন্তত ৮১ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও হামলার ঘটনা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। তবে ২০১৬ সালের চেয়ে ২০১৭ সালে সাংবাদিক নিহতের সংখ্যা কমলেও সাংবাদিকদের কারাভোগের ঘটনা নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে বলে জানান তারা। ২০১৭ সালে কারাগারে যাওয়া সাংবাদিকদের মধ্যে ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৫০ জন কারাগারে ছিল বলে জানান। তারাও ২০১৭ সালে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের ওপর ব্যাপকভিত্তিক সেন্সরশিপ, শাস্তি ও হত্যা, হয়রানি, হামলা এবং হুমকি আরোপ ছিল বলে জানান। এমনকি বিশ্বব্যাপী অনেক সাংবাদিক টার্গেটেড কিলিং, গাড়িবোমা হামলা ও ক্রসফায়ারের মতো ঘটনায় প্রাণ দিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি সাংবাদিক মারা গেছেন মেক্সিকোতে। তার পরই রয়েছে আফগানিস্তান, ইরাক ও সিরিয়া। অঞ্চলভিত্তিক সাংবাদিক মৃত্যুর দিক থেকে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল সবার শীর্ষে রয়েছে। এরপরই রয়েছে আরব বিশ্ব ও মধ্যপ্রাচ্য, তারপর রয়েছে আমেরিকা অঞ্চল।

বাংলাদেশে ৫৭ থেকে-৩২ ধারা
মুক্তবাক, মুক্তচিন্তা ও মুক্ত সাংবাদিকতার অন্তরায় তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা নানা সমালোচনার মুখে বাতিল হলেও নতুন করে প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮-এ ১৯ ও ২০ ধারায় একই ‘কালাকানুন’ কৌশলে রেখে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ মুক্ত গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মীদের। একই সঙ্গে নতুন আইনে ৩২ ধারায় যে বিধান যুক্ত করা হয়েছে তা তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার নিয়ন্ত্রণের চেয়েও কঠোর বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকরা। বলেছেন, গুপ্তচরবৃত্তি সম্পর্কিত ৩২ নম্বর ধারাটি রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতাবিরোধী ধারা। এর মধ্য দিয়ে গণমাধ্যমকে প্রতিমুহূর্তে চাপে রাখতে পারবে এবং সরকারের সর্বত্র দুর্নীতি, লুটপাট উৎসাহিত হবে। গণমাধ্যম ও তার কর্মীরা আরও কঠোর পরিস্থিতির মধ্যে পড়বে।

৩২ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের যে কোনো তথ্যউপাত্ত যদি গোপনে ধারণ করা হয়, তবে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’ অনুযায়ী তা গুপ্তচরবৃত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হবে। আইনটিতে এ অপরাধের শাস্তি হিসেবে ১৪ বছরের জেল ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আইনে এ ধরনের ধারা যুক্ত হওয়ার পর উদ্বিগ্ন সংবাদকর্মীরা প্রথম থেকেই প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংসদে পাস হওয়ার আগে সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রেস কাউন্সিলের অধীনে গঠিত সেলের সম্মতি নেওয়ার দাবি জানিয়ে সাংবাদিক নেতারা ১০ দফা সুপারিশ দিয়েছেন আইন মন্ত্রণালয়ে। ১০ দফা সুপারিশের বাইরে বলা হয়েছে, এ সংক্রান্ত আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রেস কাউন্সিলের অধীনে একটি সেল গঠন করা হোক। সেই সেলের অনুমতি ছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না। গত ২৩ এপ্রিল সাংবাদিক নেতাদের দেওয়া এ প্রস্তাবগুলোকে যৌক্তিক বলেও মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। এ নিয়ে সংসদীয় কমিটিতে আলোচনার আশ্বাস দেন তিনি।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৯টি ধারা বাতিলের আহ্বান টিআইবির
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্য দিবস উপলক্ষে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) গতকাল প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর কিছু ধারা পুনর্বিবেচনা ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বাতিলের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তাদের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২, ৪৩ ও ৫৮ ধারা পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হয়।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, মন্ত্রিসভা অনুমোদিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সব নাগরিকের বাকস্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতের সাংবিধানিক অঙ্গীকার ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী। ডিজিটাল নিরাপত্তার নামে প্রস্তাবিত আইনটি প্রণীত হলে শুধু মত প্রকাশের ক্ষেত্রেই নয়, গণমাধ্যমকর্মীদের পাশাপাশি সব নাগরিকের মৌলিক মানবাধিকার চর্চার ক্ষেত্রে অধিকতর নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি সৃষ্টি করবে।

ক্ষমতাকে সংযত রাখ
৩ মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্য দিবসের এবারের প্রতিপাদ্যে গণমাধ্যম, ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনের প্রশ্নে ক্ষমতাকে সংযত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিবছরের মতো বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন ও অবৈধ হস্তক্ষেপ বন্ধ, নির্যাতিত এবং নিহত সাংবাদিকদের স্মরণ-তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ করার দাবি নিয়ে এ দিবস পালন হয়ে আসছে।

সাংবাদিকদের অধিকার সচেতন করার লক্ষ্য নিয়ে আফ্রিকার নামিবিয়ার উইন্ড হোয়েক শহরে ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত চলা এক সেমিনারে চূড়ান্ত করা হয় বিশ্ব মুক্ত সাংবাদিকতা দিবসের খসড়া। মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণার আলোকে মুক্ত সাংবাদিকতার অধিকার নিশ্চিত করার জন্য বিশ্বের প্রতিটির রাষ্ট্রের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানায় জাতিসংঘ।

সরকার যতটা চায় আমরা ততটাই মুক্ত

রিয়াজ উদ্দিন আহমদ
পৃথিবীর কোথাও মুক্ত সাংবাদিকতার পথ অতটা মসৃণ নয়। সেখানে এদেশে সাংবাদিকতাকে মাড়াতে হয়েছে নানা বন্ধুর পথ। আজ মুক্ত সাংবাদিকতার কথা উঠছে, আবার ৫৭ ধারা ৩২ ধারার মতো কালাকানুনও তো তৈরি হচ্ছে। মূলত আমরা ততটুকুই মুক্ত যতটুকু আমাদের মুক্ত রাখতে চায় সরকার বা ক্ষমতাশালীরা।
বিভিন্ন বেসরকারি প্রেসার গ্রুপ, দুর্বৃত্ত, রাজনৈতিক শক্তি এবং গণমাধ্যম মালিকদের মুখাপেক্ষী আমাদের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা। ফলে মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ এখানে রুদ্ধ।

আমরা বারবার বলেছি, বাকস্বাধীনতা, লেখার স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কোনোভাবেই রুদ্ধ করা যাবে না। কিন্তু যখনই সে ধরনের আইন হয় তা নিয়ে দেশের বাইরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক নানা সংস্থা ও দেশ কথা বলার সুযোগ পায়। ৫৭ ধারার মতো কালো আইন, নতুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি কালো ধারার বিরুদ্ধে আমরা আপত্তি জানিয়েছি। আইনমন্ত্রী তো কথা দিয়েছেন, সাংবাদিকদের স্বার্থবিরোধী কোনো আইন তারা করবেন না। সাংবাদিকদের ঝুঁকিতে ফেলবেন না। এখন দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী হয়। আমরা তার দিকে তাকিয়ে আছি।

গণমাধ্যমের সঙ্গে মত প্রকাশের ক্ষেত্রও বেড়েছে
অধ্যাপক মফিজুর রহমান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
দেশে এখন প্রচুর গণমাধ্যম। প্রিন্টেড পত্রিকা, টেলিভিশন চ্যানেল ছাড়াও হাজার হাজার অনলাইন সংবাদ মাধ্যম এ দেশে নিঃসন্দেহে মুক্ত সাংবাদিকতা চর্চার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করেছে। এটা যে কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য সুখকর। কিন্তু বহুমাত্রিক এ পরিবেশে প্রায়োগিক ক্ষেত্রে বেশ কিছু সমস্যায় আমাদের পড়তে হচ্ছে। এর মূল কারণ অবকাঠামো সীমাবদ্ধতা।

গণমাধ্যম এবং গণমাধ্যম কর্মীর স্বাধীনতার বিষয়টি বারবার সামনে আসছে। এটা আসা উচিত। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অর্জনের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকা উচিত সর্বত্র। আগে তো স্টেট ইনভেনশন ছিল গণমাধ্যমে। এখন তো সেটা নেই। তবে সামাজিক নানা অপশক্তি, ক্ষমতাধর এলিট, রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত, উগ্র ফ্যাসিবাদ সর্বত্রই জেঁকে বসেছে। সে ক্ষেত্রে মুক্ত সাংবাদিকতা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ঝুঁকি যে আগেও ছিল না, তা নয়। শক্তি কাঠামোর সঙ্গে মুক্ত গণমাধ্যমের দ্বন্দ্ব সবসময় ছিল। এখনো আছে। এখন গণমাধ্যমের সুযোগ যত অবারিত হয়েছে, ততই ক্ষমতার নানা কাঠামোর সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব প্রকট হচ্ছে। পরিবেশ সবসময় গণমাধ্যমের অনুকূলে থাকে না। সেটা গণমাধ্যমকর্মীরা মেনে নিয়েই কাজ করেন।

কয়েক বছরে গণমাধ্যমে করপোরেট পুঁজি প্রবেশ করেছে। করপোরেট পুঁজির আলাদা স্বার্থ থাকে। সে ক্ষেত্রে গণমাধ্যম ও তার কর্মীকে সেই স্বার্থের অনুকূলে থাকতে হয়। এতে স্বাধীনতা হয় তো কিছুটা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। কিন্তু গণমাধ্যমে বিপুল কর্মীর কর্মসংস্থান ঘটছে। গণমাধ্যম সংখ্যায় যেমন বাড়ছে মতেরও বহু বিচিত্র প্রকাশ ঘটছে। তবে অবকাঠামো উন্নয়নটা ঘটছে না। বিশেষ করে কর্মীদের বেতন, স্কিল, কাজের নিরাপত্তা- ইত্যাদি নিশ্চিত করতে হবে গণমাধ্যমের মালিকদের। এর ভেতর দিয়ে মুক্ত গণমাধ্যমের শক্তিটা পরিপুষ্ট হবে বলে আমি মনে করি।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :1329 বার!

JS security