সান্ত্বনা দিতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন রেজা কিবরিয়া

গ্লোবাল ডেস্ক:- গ্রেফতার হয়েছেন তিন নেতা। এ খবর পেয়ে ছুটে যান প্রার্থী রেজা কিবরিয়া। এ সময় পরিবারের সদস্যরা হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন। তা দেখে রেজা কিবরিয়াও কান্না ঠেকিয়ে রাখতে পারেননি। গতকাল শুক্রবার হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।দলীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল গণসংযোগ করেননি হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী রেজা কিবরিয়া। সকালে খবর আসে, ঐক্যফ্রন্টের শরিক বিএনপির তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে তিনি ছুটে যান ওই নেতাদের বাড়িতে।গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন হলেন নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আলম উদ্দিন, একই ইউনিয়নের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রুহেল মিয়া ও উপজেলার করগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন। তিনজনকেই গতকাল ভোররাতে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় নবীগঞ্জ থানার পুলিশ।প্রার্থী রেজা কিবরিয়া গতকাল সকালে প্রথমে ছুটে যান নবীগঞ্জ উপজেলার সাদরাবাদ গ্রামে রুহেল মিয়ার বাড়িতে। তাঁকে কাছে পেয়ে হাউমাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়ে রুহেল মিয়ার সাত বছর ও নয় বছর বয়সী দুই শিশুসন্তানসহ পরিবারের অন্যরা। তারা কাঁদতে কাঁদতে বলে, গতকাল ভোরে পুলিশ ঘরের দরজা ভেঙে তাদের বাবাকে ধরে নিয়ে গেছে। রেজা কিবরিয়াও ওই শিশুদের সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য কোনো ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। একপর্যায়ে তিনি নিজেই কেঁদে ওঠেন।পরে রেজা কিবরিয়া গ্রেপ্তার হওয়া বিএনপি নেতা আলম উদ্দিনের আউশকান্দি গ্রামের বাড়িতে যান। তখন একইভাবে কান্নায় ভেঙে পড়েন আলমের পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা জানান, আলমকে পুলিশ কীভাবে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। আলম উদ্দিনের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে আয়শা সিদ্দিকী প্রার্থী রেজা কিবরিয়াকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে বলে, ‘পুলিশ কেন আমার বাবাকে ধরে নিয়ে গেল? আবার বাবাকে আমার কাছে এনে দেন।বিএনপির নেতা-কর্মীরা বলছেন, এই তিনজনকে নিয়ে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে নবীগঞ্জ ও বাহুবলে বিএনপির ৩১ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘যাঁদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, তাঁদের অপরাধ—তাঁরা আমার জন্য নির্বাচনী এলাকায় কাজ করছেন। প্রতিদিন চার থেকে পাঁচজন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, জনগণ এখন আওয়ামী লীগকে ভয় পায় না। ভয়ের চেয়ে ঘেন্না করে বেশি। দেশের জনগণ ৩০ ডিসেম্বর বুঝিয়ে দেবে, এ সরকারের ওপর তাঁদের রাগ কতটা বেশি।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :420 বার!

JS security