সাব-কন্ট্রাক্ট দিয়ে চলছে হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজ – টাকা লুটের পায়তারা

স্টাফ রিপোর্টার ঃ- 

দিরাইয়ে হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে সাব-কন্ট্রাক্ট দিয়ে কাজ করানোর গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিমাণ মত কাজ না হওয়ায় পাউবো থেকে আরও দুই ফুট উঁচু করে মাটি কাটার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট পিআইসি কর্তৃপক্ষকে।
জানা যায়, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের হুরামন্দিরা হাওর উপ-কল্পের ১ হাজার ৭৩৪ কিলোমিটার বাঁধের ভাঙ্গা বন্ধকরণ ও মেরামত কাজের জন্য ৯৩নং পিআইসির দায়িত্ব পান ইউনিয়নের রাড়ইল গ্রামের মৃত মদরিছ মিয়া চৌধুরীর ছেলে গৌউছ মিয়া চৌধুরী।

তিনি কাজটি ঢাকার শামছুল ইসলাম একজনকে ৯ লাখ টাকায় চুক্তি করে সাব-কন্ট্রাক্ট দিয়ে হাওর রক্ষা বাঁধে মাটি কাটান। বিষয়টি তিনি স্বীকার করে জানান, আমি ৯ লাখ টাকার চুক্তিতে শামছুল ইসলাম নামে ঢাকার একজনকে দিয়েছি কাজের সুবিধার্থে, সে শাল্লা উপজেলার কাশিপুর গ্রামের লিপন নামের একজনের এক্সেভেলেটর এনে কাজ করেছে। তিনি আরও জানান, এ বাঁধের কাজ এখনও শেষ হয়নি, সামান্য মাটি কাটা, ড্রেসিং ও ঘাস লাগানো বাকি আছে। ১০১ টি পিআইসির কাজ করানোর সরকারি মেয়াদ শেষ হলেও কাজ শেষ করতে অক্ষম রয়েছেন অধিকাংশ প্রকল্প প্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড দিরাইয়ের উপ-সহকারি প্রকৌশলী (শাখা কর্মকর্তা) রিপন আলী জানান, এখনও অনেক কাজ বাকি আছে, সামান্য কিছু ক্ষেত্রে মাটি কাটার কাজও বাকি রয়েছে। আমরা কাজের সুবিধার্থে আরও কিছু সময় চেয়ে থাকি জেলা অফিসে।

সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করানো যায় কি না-প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, যেহেতু নীতিমালায় স্পষ্ট করে এ ব্যাপারে কিছু বলা নেই, তাছাড়া অনেকেরই নিজস্ব কোন ব্যবস্থা না থাকায় তারা সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করায়, এতে কোন সমস্য হবে না, মূলত দেখতে হবে কাজ ভালো হচ্ছে কি না।

তিনি আরও জানান, শুধু ৯৩নং পিআইসিই নয়, যাদেরই মাটি কাটা কম হয়েছে, তাদেরকে আরও মাটি কাটার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।দিরাই উপজেলার সচেতন জনতা বলছে , সরকারের টাকায় প্রতিবছর কিছু মানুষ নিজেদের উন্নয়ন করছেন এমনি দাবী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকের।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :234 বার!

JS security