বৈশাখী হাওরে বাধ ভেঙ্গে পানি ঢুকে তলিয়ে গেছে ধান-হতাশ কৃষকরা!

স্টাফ রিপোর্টার:– সামান্য পানিতেই বৈশাখী হাওরে ১১নং পি,আই,সি’র বাধ ভেঙ্গে পানি ঢুকে তলিয়ে গেছে হাওরের কয়েক হাজার হেক্টর জমির ধান।আমাদের আশংকাই সত্যি হল। আমরা শুরু থেকেই নীতিমালা লঙ্ঘন করে বাধের গোড়া থেকে এস্কেভেটর দিয়ে বিপদজনক ভাবে এবড়োখেবড়ো করে মাটিকাটা ও দুর্মুজ পেটা না করে দুর্বাঘাস না লাগিয়ে যেনতেন ভাবে বাধ নির্মানের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম। তখন কর্তৃপক্ষ কর্ণপাত করেনি!

নদীর পানি এখনো বিপদ সীমা অতিক্রম করেনি, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে দুর্বল বাধ নির্মাণের ফলে সামান্য পানির জোয়ারে তাড়লের হাসান চৌধুরীর ১১ নং প্রকল্পের বাধ ভেঙ্গে তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের শত কষ্টের ফলানো (সোনার ফসল) ধান! এমনিতে বৈরী আবহাওয়ায় কাটা ধান শুকানো যাচ্ছেনা তারপর আবার বাধ ভেঙে অবশিষ্ট জমি তলিয়ে যাওয়ায় দুচোখে অন্ধকার দেখছে কৃষকরা।

গত বছরের অকাল বন্যায় ফসল হানির পর এবছর সরকার হাওরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয় ফসল রক্ষা বাধ নির্মানের জন্য কিন্তু পি,আই,সি গঠন থেকে বিতর্ক উঠে দলীয় অনুগত ও অনেক অকৃষক ও অন্য এলাকার  ব্যক্তিকে প্রকল্প নির্মানের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য। বাধ নির্মাণে গড়িমসি ও নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে প্রকল্প মনিটরিং কমিটি ও পি,আই,সি,র যোগসাজশে অভিযোগ উঠে লুটপাটের তা এখন বাস্তব প্রমাণ হতে শুরু করেছে। বৈশাখী হাওর মূলত চাপতি হাওরের দক্ষণের একটি অংশ। কলিয়ার কাপন হয়ে চাতলের স্লুইসগেট পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের ফলে পৃথক হয়ে ছোট বৈশাখী হাওরে রুপান্তরিত হয়। কালধর ও তাড়ল গ্রামের কৃষকের জমিই বেশি, রয়েছে চন্ডিপুর ও কচুয়া গ্রামের কিছু কৃষকের জমিও তবে কালধর গ্রামের প্রায় ৮০% জমি এই হাওরে। কালধর গ্রামের কৃষক জানান যেঁ বাধ দিয়ে পানি ঢুকছে জীবনে কখনো সেখান দিয়ে পানি ডুকেনি বা বাধ ভাঙ্গেনি! পাশেই বৈশাখী বাধ যেখানে প্রতিবছর ভেঙে যায় অথচ সেটা অক্ষত! নদীর পানি এখনো বিপদ সীমা অতিক্রম করেনি আবহাওয়া অনুকূলে থাকায়, উঁচু বাধের দুর্বলতা চোখে পড়ছেনা! নদীর পানি অধিক বৃদ্ধি পেলে প্রায় অর্ধেকাংশ বাধ ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষকের। এবিষয়ে গ্লোবাল সিলেট ডটকম কে এসও রিপন আলি বলেন বাধ ভাঙ্গার খবর পেয়ে আমি ও ইউএনও(ভারপ্রাপ্র)স্যার সরজমিন দেখতে যাই। যেখানে ভেঙ্গেছে সেটা ঝুকিপূর্ণ নয় আমাদের কাছে তা নাশকতা বলে মনে হয়েছে! মূঠোফোনে পি,আই,সি, সভাপতি তাড়ল গ্রামের হাসান চৌধুরী গ্লোবাল সিলেট ডটকম কে বলেন বাধ শত্রুতা মূলকভাবে কেউ গভীর রাতে কেটে দিয়েছে বাধ ভাঙ্গার কথা নয়।১১ নং প্রকল্পের দৈর্ঘ ২৯০মিঃ বরাদ্দ ২৩,৪৪,০০০/=(তেইশ লক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার টাকা।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :1671 বার!

JS security