সিলেট ৩ এ হ্যট্রিক জয় – সামাদের

মুহাম্মদ হাবিলুর রহমান জুয়েলঃ- আবারো জিতলেন সামাদ। সিলেট ৩ আসনের ইতিহাসে এই প্রথম ততীয় বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েছ। ২০০৮,২০১৪, ২০১৮ এই তিনবার নির্বাচিত হলেন তিনি। এর আগে ২০০১ সালে এই আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন বিএনপির প্রার্থী শফি আহমদ চৌধুরী। যদিও তিনি এবার ধানের শীষে প্রার্থী ছিলেন। মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী তার সময়ে অর্থাৎ দুই টার্মে তিনি ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ -দক্ষিণ সুরমা ডিগ্রি কলেজকে সরকারীকরনে ভূমিকা রাখেন। তিনি দেশের প্রধান সারকারখানা ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখার পাশাপাশি সেখানে আরেকটি সারকারখানা নির্মানে ভূমিকা রাখেন। এছাড়া ফেঞ্চুগঞ্জ সরকারী হাসপাতাল, স্কুল, মাদরাসা, বিভিন্ন রাস্তাঘাট তৈরিতে ব্যপক ভূমিকা রাখেন। যে সকল গ্রামে একসময় রাস্থাঘাট ছিল না সেই সকল গ্রামে এখন রয়েছে পরিচ্ছন্ন রাস্থাঘাট। তিনি এবার ভোট পেয়েছেন ১,৭৬,৫৮৭ টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ধানের শীষের শফি আহমদ চৌধুরী। এর আগেও ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি শফি আহমদ চৌধুরী কে পরাজিত করেছেন। মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী সিলেট ৩ আসনে ব্যপক উন্নয়ন করেছেন বলে মানুষ তাকে ভোট দিয়েছে বলে জানান ফেঞ্চুগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমার অনেক আওয়ামীলীগ নেতা। তারা আরও বলেন এখন তার মিশন এই দুই উপজেলাকে আধুনিক নগরায়নে ধাবিত করা। সেই সাথে জনমানুষের উন্নয়ন করা। তার লক্ষ শিক্ষিত সমাজ গড়ে তোলা। তিনি এজন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিকেই বেশি মনযোগী। এখন প্রত্যাশা একটাই থেমে থাকা কাজগুলো পূনরায় শুরু করা। এ প্রসঙ্গে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাবেদুর রহমান ডেনেছ বলেন, আমাদের সংসদ সদস্যকে গত ৫ বছর ধরে একটি প্রতিপক্ষ বিভিন্ন উন্নয়নমুখী কর্মকান্ডে বাধা প্রধান করেছে। কিন্তু তারা জনগণের দিকে তাকায়নি। তারা উন্নয়ন বিঘ্ন করতেই বারবার অপপ্রচার করেছে। বিভিন্ন স্থানে বিনা কারনে বারবার সভা সমাবেশের নামে জনগণের স্বাভাবিক যাত্রা ব্যহত করেছে। তাই এদেরকে যেন মানুষ আর তাদের এলাকায় ভ্রান্ত উদ্দেশ্য নিয়ে ডুকতে না দেয়।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :471 বার!

JS security