স্ত্রীর মামলায় মডেল আসিফের বিরুদ্ধে চার্জগঠন

গ্লোবাল ডেস্কঃ-    স্ত্রীর নারী নির্যাতনের মামলায় মডেল ও অভিনেতা আসিফুর রহমান ওরফে কাজী আসিফের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেছে ট্রাইব্যুনাল। আজ রোববার ঢাকার ৬ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শহিদুল ইসলাম এ মডেলের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন।শুনানিকালে জামিনে থাকা আসামি আসিফ ও তার স্ত্রী মামলার বাদি কানাডা প্রবাসী শামীমা আক্তার অর্ণি ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।শুনানিকালে রাষ্ট্রক্ষের চার্জগঠনের আবেদনের বিপরীতে আসামিপক্ষে অব্যাহতির আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে চার্জগঠনের আদেশ দেন। আগামী ৩ জুলাই সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।এর আগে গত ২২ এপ্রিল রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আসিফকে গ্রেপ্তার করে হাজারীবাগ থানা পুলিশ। ওই সময় তিনি শুটিং শেষে মালয়েশিয়া থেকে ফিরছিলেন। পরদিন ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর পর ২৫ এপ্রিল স্ত্রী শামীমা আক্তার অর্ণির (শামীমা) সঙ্গে আপোষের শর্তে আসিফকে অন্তবর্তীকালীন জামিন দেন ট্রাইব্যুনাল।২০১৮ সালের ৬ মার্চ ওই আসামির স্ত্রী ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করেন। ওইদিন একই বিচারক মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।ঢাকা মহানগর হাকিম কাজী কামরুল ইসলাম বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে গত ২৭ মার্চ ট্রাইব্যুনালে কাজী আসিফের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন। গত ২ এপ্রিল ট্রাইব্যুনাল ওই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই পরোয়ানা পেয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালের ৭ আগস্ট কানাডা প্রবাসী শামীমা আক্তার অর্ণির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন কাজী আসিফ। বিবাহের সময় পরিবার ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা মূল্যমানের আসবাবপত্র প্রদান করেন। এর পর বাদি আসামিকে গাড়ি কেনার জন্য ১৮ লাখ টাকা প্রদান করেন। আসামি গাড়ি না কেনায় টাকা কী করেছেন গত ২ এপ্রিল বাদি জিজ্ঞাসা করলে আসামি আরও ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে মারধর করেন।কাজী আসিফ ও অর্ণি দম্পত্তির দাম্পত্যজীবনে আট মাসের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। স্ত্রী অর্ণি পেশায় কানাডা প্রবাসী নার্স। আসিফের গ্রামের বাড়ি যশোরে, অর্ণিদের বরিশালে। টেলিযোগাযোগ কোম্পানি সিটিসেলের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বেশ আলোচনায় আসেন এ মডেল অভিনেতা। এর পর একাধিক বিজ্ঞাপন ও নাটকে অভিনয় করেন তিনি।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :375 বার!

JS security