মুক্ত কলাম

প্রেসিডেন্ট জিয়া—আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি-অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান

প্রেসিডেন্ট জিয়া—আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি-অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান

শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ, এক কিংবদন্তি নেতা ও রাষ্ট্রনায়ক। স্বাধীনতার পর উল্টো রথে চলা বাংলাদেশ নামক দেশটিকে রাষ্ট্র পরিণত করেছিলেন জিয়াউর রহমান। জিয়ার লক্ষ্য ছিল যে চেতনা বুকে ধারণ করে এদেশের লাখো জনতা নিজেদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে নিপীড়ক পাকিস্তানিদের কাছ থেকে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন, সে চেতনাকে সমুন্নত করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্তির অব্যবহিত পরই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ধ্বংস করার আয়োজন করা হয়েছিল। জিয়া সে বিপদসংকুল পরিস্থিতিতে দেশের হাল ধরেন। জাতীয় ক্রান্তিলগ্নে জিয়া এর আগেও ‘উই রিভোল্ট’ বলে জাতির মনে সাহস যুগিয়েছিলেন; আশার বাতিঘর হয়ে দেদীপ্যমান হয়েছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ অসীম সাহস বুকে নিয়ে জিয়া যদি এদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, তাহলে হয়তোবা আমাদের আরো দীর্ঘ এক রক্তগঙ্গা পাড়ি দিতে হতো; আমাদের স্বাধীনতাপ্রাপ
রাজনীতিতে গাধামি করার সুযোগ নাই

রাজনীতিতে গাধামি করার সুযোগ নাই

    মারুফ কামাল খান রাজনীতিতে গাধামি করার সুযোগ নাই। বোকামি বা ভুলের জন্য কেউ করুণা করেনা। বরং এর মাশুল দিতে হয়। মুরাদ হাসান নামের এক অখ্যাত লোক, যাকে আওয়ামী লীগ প্রশ্রয় দিয়ে মাথায় তুলে বিনাভোটের এমপিগিরি ও আধামন্ত্রিত্ব উপহার না দিলে দেশের লোক চিনতোই না; সেই লোক বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও তার কন্যা জায়মা রহমানকে অশ্লীল, কুৎসিত ও নোংরা ভাষায় গালাগাল করেছেন। খুবই ঘৃণ্য কুৎসা রটিয়েছেন তাদের নামে। এক পরিবারেরের তিন প্রজন্মের এই তিন সদস্য সারা দুনিয়ায় পরিচিত। দেশে তাদের সমর্থক আছে কোটি কোটি লোক। তাদের তুলনায় মুরাদ কিছুই না; একটা নস্যি মাত্র। শুধু মুরাদ নয়, শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে মহল্লার ছিঁচকে যে মস্তানটা আওয়ামী কোনও একটা অঙ্গ বা সহযোগী সংগঠনের ওয়ার্ড শাখা সদস্যের হয়ে চাঁদাবাজি-ছিনতাই করে সেও এখন অবলীলায় এরকম গালাগালি দেয় ও কুৎসা রটায় তাদের নামে। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠা
ডা. জোবায়দা রহমানের জন্মদিনে নেটিজেনদের শুভেচ্ছা

ডা. জোবায়দা রহমানের জন্মদিনে নেটিজেনদের শুভেচ্ছা

  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জন্মদিনের শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান।গতকাল ১৮ জুন জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ফেসবুকে শুভেচ্ছা জানিয়ে অনেকেই পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টে জোবায়দা রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। তার পরিবারের জন্যও দোয়া করা হয়। ফেসবুকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে  মোঃ লুতফুল হাই ভুইয়া লিখেছেন, ‘‘শুভ জন্মদিন ডা: জোবাইদা রহমান। সিলেটের ঐতহ্যিবাহি পরিবারের সুযোগ্য উত্তরসূরি সাবেক নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খান এর কনিষ্ট কন্যা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যন দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের সহধর্মিনী ডাক্তার জোবায়দা রহমান এর শুভ জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।’’
অমর অম্লান জিয়াউর রহমান

অমর অম্লান জিয়াউর রহমান

  বাংলাদেশ এবং বাঙালি জাতির প্রতিটি ক্রান্তিকালে আলোর মশাল হাতে সাহসিকতা, প্রজ্ঞা এবং দেশপ্রেমের মাধ্যমে কাণ্ডারির ভূমিকা পালন করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান । ১৯৭১ সালে জাতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সংকটময় মুহূর্তে তৎকালীন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতাদের অদূরদর্শিতার ফলে রাজনৈতিক আলোচনার নামে সময়ক্ষেপণের সুযোগে, হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী রাতের অন্ধকারে দেশের নিরীহ মানুষের উপর অস্ত্রহাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে । ট্যাঙ্ক আর মেশিনগানের গুলির আঘাতে ২৫ শে মার্চ এক রাতের মধ্যেই প্রাণ হারায় লক্ষ লক্ষ শিশু নারী ও পুরুষ । হামলা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ পুলিশ, ইপিআর সদর দপ্তরে । ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমজীবী থেকে ঘুমন্ত শিশু কেউ এই হত্যাযজ্ঞ থেকে রেহাই পায়নি । এদিকে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে ‘সোয়াত’ নামে সেনা ও অস্ত্রভর্তি একটি জাহাজ আসে চট্টগ্রাম বন্দরে । এসময় জিয়াউর রহমানের কর্মস্থল (৮ম

গবেষণা বলছে, সংসার সুখের হয় পুরুষের ইনকামে, রমণীর গুণে নয়

গবেষণা বলছে, সংসার সুখের হয় পুরুষের ইনকামে, রমণীর গুণে নয় – ‘সংসার সুখের হয় রমনীর গুণে’ এতদিন এমনটা শুনে আ'সলেও এখন সময় এসেছে এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসার। একটি গবেষণায় জা’না গেছে, সংসার টিকে থাকে পুরুষের রোজগারের ওপর। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্র’তিবেদনে বলা হয়েছে, সংসার টিকে থাকার পিছনে পুরুষের রোজগার এবং তিনি কোন ধ’রনের চাকরি করেন ও মাসে কত উপার্জন করেন সেটিই বেশি প্রাধান্য পায়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর আলেকজান্দ্রা কিলোওয়াল্ড ১৯৭০ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার ৩০০ দম্পতির তথ্য সংগ্রহ ক’রেছেন। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করেই এই সিদ্ধা’ন্ত জা’নিয়েছেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বব্যাপী বিবাহ বি’চ্ছেদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫১ দশমিক ৮ শতাংশে। বিবাহ বি’চ্ছেদের দিক দিয়ে সবার শী’র্ষে রয়েছে মালদ্বীপ। এখানে ৩০ জনের মধ্যে ৩ জনের বিবাহ বি’চ্ছেদ ঘ’টে থাকে। যদিও বিব
সৎ,সাহসী,এক নির্ভীক জননেতার গল্প।

সৎ,সাহসী,এক নির্ভীক জননেতার গল্প।

    ছবি দেখেই বুঝা যায় দাবী আদায়ে কতটা আপোষহীন ছিলেন। পুলিশের শত নির্যাতন আর গুলির মুখে ও অটল দাডিয়ে থেকে যে মানুষটি পিছপা হন নি , এক গ্রাম থেকে উঠে এসে সমগ্র সিলেট বাসীকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, বিএনপির দু:সময়ে সিলেটে কানডারীর ভুমিকায় অবতীর্ন হয়েছিলেন তিনি আর কেউ নন আমাদের প্রিয় নেতা প্রিয় ভাই , মাটি ও মানুষের নেতা দিলদার হোসেন সেলিম। পুলিশের টানা হ্যাঁচড়ার মুখে যে ভাবে একজন সাবেক এমপি ই শুধু নন সিলেটের বিখ্যাত ক্রীড়া সংগঠককে অপমান করেছে তা সিলেটের রাজনৈতিক হতিহাসকে কলংকিত করেছে। ছবি দেখেই বুঝা যাচ্ছে একটা রাষ্ট্রের শাসকগোষঠী কতটুকু উলংগ হলে এই ধরনের বর্বর অসভ্য কাজ করতে পারে । অবশ্য এগুলা এখন নিত্য নৈমিততিক ব্যাপার হয়ে দাডিয়েছে। আসলে আমাদের দেশটা হয় গেছে রাষ্টীয় নির্যাতনের হাহাকারে ধ্বনিত একখন্ড বিরান ভূমি।বিচার কার কাছেই বা চাইবো! তারপরে ও সবকিছুর একটা শেষ আছ
পঁচিশ বছর বয়সী হালিমা একসঙ্গে ৯ সন্তান জন্ম দিলেন

পঁচিশ বছর বয়সী হালিমা একসঙ্গে ৯ সন্তান জন্ম দিলেন

হরহামেশায় শোনা যায় একসঙ্গে যমজ সন্তান জন্ম দেওয়ার খবর। তবে এবার ভিন্ন আরেকটি খবর শোনা গেল । একসঙ্গে ৯ সন্তান জন্ম দিয়েছেন এক নারী। চিকিৎসকরা আগে থেকেই ওই নারীর দুই শিশুর অস্তিত্ব বুঝতে পেরেছিলেন। বুধবার (৫ মে) পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এমন খবর প্রকাশ করা। এ ঘটনার পর ৯ সন্তান জন্ম দেওয়া নারীর হালিমা সিসে (২৫) আলোচনায় চলে আসেন। আর ৯ সন্তান জন্ম দিয়ে ননুপ্লেটস অন্তর্ভুক্ত নারী হিসেবে বিরল দৃষ্টান্ত গড়লেন তিনি। এ বিষয়টি দেশটির নেতারাও বেশ গুরত্ব সরকারে দেখেন। চলতি বছরের মার্চে চিকিৎসকরা জানান, হালিমার বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। তখন দেশটির পরিবর্তনকামী নেতা বাহ এনদাও তাকে মরক্কো পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তিনি মরক্কো আসলে সেখানে মঙ্গলবার (৪ মে) সিজার করে পাঁচ কন্যা ও চার ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। মাল
ডিম না পাড়ায় মুরগি নিয়ে থানায় অভিযোগ

ডিম না পাড়ায় মুরগি নিয়ে থানায় অভিযোগ

শুধু যে চুরি, ডাকাতি অথবা খুন ধর্ষণের অভিযোগ জানাতে মানুষ থানায় যায় তা কিন্তু নয়। পুলিশকে নিষ্পত্তি করতে হয় অনেক অদ্ভুত অদ্ভুত অভিযোগেরও। যেমন ভারতের মহারাষ্ট্রে নিজের পালিত মুরগি নিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে হাজির হয়েছেন এক মালিক। অভিযোগ, তার মুরগি ডিম দিচ্ছে না! ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন শুক্রবার (২২ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের পুনের। সম্প্রতি এক পোলট্রি ফার্মের মালিক পুলিশে কাছে গিয়ে অভিযোগ জানান, একটি বিশেষ সংস্থার তৈরি খাবার খাওয়ার পর থেকেই তার সব মুরগি ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে লোনি কালভোর পুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ রাজেন্দ্র মোকাশি বলেন, আমরা অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে দেখছি। তিনি একা নন, আরও অন্তত চারজন একই অভিযোগ নিয়ে এসেছেন আমাদের কাছে। প্রত্যেকেই বলেছেন, ওই সংস্থাটির খাবার খেয়েই তাদের মুরগি ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি আরও ব
উত্তাল মার্চ- সাবেক সাংসদ নজির হোসেনের ফেইসবুক থেকে

উত্তাল মার্চ- সাবেক সাংসদ নজির হোসেনের ফেইসবুক থেকে

উত্তাল মার্চ (৭)   ২৮শে মার্চ কার্ফু ভংগ এবং যুদ্ধ শুরু তখন সুনামগঞ্জ কলেজে ছাত্র ইউনিয়ন(মতিয়া) গ্রুপের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন জনাব হুমায়ূন কবীর চৌধুরী৷ তিনি কমিউনিস্ট পার্টির গ্রুপ সদস্য ছিলেন৷ নিবেদিত বিপ্লবী৷ পার্টির প্রতি তিনি ছিলেন একান্ত অনুগত৷ এ হিসেবে আমার সাথে ছিল তাঁর গভীর সম্পর্ক৷ ছাত্র রাজনীতি নিয়ন্ত্রনে আমরা শহীদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবীর চৌধুরী, সুদীপ্ত দাশের উপর নির্ভর করতাম৷ জনাব শহীদ চৌধুরী ৬৭ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সুনামগঞ্জ মহকুমার জেলার সম্পাদক ৬৮ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন৷ ৬৯ সালে দিরাই নিবাসী শহীদ চৌধুরী এবং ৭০ সালে বড়পাড়া নিবাসী হুমায়ূন কবীর চৌধুরী কলেজ সংসদের ভিপি নির্বচিত হন৷ ১৯৬৫ সাল থেকেই সুনামগঞ্জ কলেজ সংসদে সকল পদে ছাত্রইউনিয়ন প্রার্থীরা নির্বাচিত হতেন৷ ১৯৭০সালে ছাত্রইউনিয়ন মহকুমা কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক ছিলেন হুমায়ূন কবীর চৌধুরী ও সাইফুর রহমান সামছু৷

ব্রিটেনে ভালো নেই বাংলাদেশিরা

  মুনজের আহমদ চৌধুরী, যুক্তরাজ্য  ব্রিটে‌নে বেকারত্ব গত পাঁচ বছ‌রের ম‌ধ্যে এখন সর্বোচ্চ পর্যা‌য়ে পৌঁছেছে। ব্রিটিশ চ্যা‌ন্সেলর রি‌শি সুনাক শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ব‌লে‌ছেন, চল‌তি অর্থবছ‌রে সরকার ২৭১ বি‌লিয়ন পাউন্ড ঋণ করে‌ছে। সঙ্গত কারণেই ভালো নেই সেখানে থাকা বাংলাদেশিরাও। কমিউনিটির লক্ষাধিক মানুষ গত ক‌য়েক মাস ধ‌রেই বেকারত্বের মধ্যে আছেন। অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদেরকে। কোভিড-১৯ বিধি-নিষেধ এবং লকডাউনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রি। বিশেষ করে বাংলাদেশিদের কারি শিল্পে বেশি প্রভাব ফেলেছে। রেস্তোরাঁগুলোতে কর্মসংস্থানের মারাত্মক পতন ঘটেছে। রেস্তোরাঁ, আবাসিক হোটেল, এবং সুপার মার্কেটসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে যাদের কাজ চলে গেছে, করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও তাদের কাজে ফেরাটা খুব সহজ হচ্ছে না। মৌলভীবাজার ইউকে’র সমন্বয়ক তাজুল
JS security