ইংল্যান্ডে মদের জন্য ক্লাবে মানুষের ঢল: রেস্টুরেন্ট খালি:

আন্তর্জাতিক নিউজ:-  পুলিশ বলছে এটি ‘ক্রিস্টাল ক্লিয়ার’ মাতাল মানুষদের কাছ থেকে সামাজিক দূরত্ব আশা করা যায় না। প্রায় মাস পর ৪ জুলাই শনিবার থেকে ইংল্যান্ডে আবারো রেস্টুরেন্ট, পাব বা মদের ক্লাব, সেলুন সহ একাদিক প্রতিষ্ঠান। সকাল থেকেই সেলুন গুলোতে প্রচন্ড ভীড় লক্ষ্য করা যায়। মানুষ দীর্ঘক্ষন লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চুল কাটিয়ে বাড়ী ফিরেন। বাংলাদেশী অধ্যুষিত ব্রিকলেইনের রেস্টুরেন্ট গুলো ছিল ক্রেতা শূণ্য তবে সন্ধ্যা থেকেই পাবে মানুষে প্রচন্ড ভীড় বাড়ে। কিন্তু বিপরিত চিত্র ছিলো রেস্টুরেন্টগুলো।

বিশেষ করে কারী ক্যাপিটাল খ্যাত ব্রিকলেইন ছিলো একেবারে ক্রেতা শূন্য। দ্যা মুনসুন রেস্টুরেন্টের মালিক সামসুদ্দিন সামস জানান রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত মাত্র দুইজন কাস্টমারকে তারা সার্ব করেছেন। তবে ব্রিকলেইনের বাইরে এবং ইংল্যান্ডের অন্যান্য জায়গায় কিছুটা ভালো করেছে গ্রীল বা তার্কিশ রেস্টুরেন্টগুলো। সামসুদ্দিন সামস জানান ব্রিকলেইন মূলত পর্যকদের জন্য বিখ্যাত। এখনো পর্যকদের আগমন ঘটেনি। আশা করছেন ১০ তারিখের পর আবারো ঘুরে দাঁড়াবে ব্যবসা। এদিকে মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউন থাকার পর প্রায় চার মাস বাদে ‘ড্রিংক’ করার অনুমতি মিলতেই ইংলশিরা রীতিমতো বেসামাল এক রাত পার করেছেন।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম মিরর অনলাইন জানায়, অনেক এলাকায় তরুণ-তরুণীদের রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। মেট পুলিশ জানিয়েছে রাজধানী লন্ডনে তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও ডেভন এবং কর্ণয়াল পুলিশ ১০০০ বেশি রিপোর্ট পেয়েছে। যার অধিকাংশই মদ্যপান সংশ্লিষ্ট। এপর্যন্ত ৪জনকে আটক করা হয়েছে। বেশ কিছু পাব সিদ্ধান্ত নিয়েছে আবারো বন্ধ রাখার। কারন মানুষ মাতাল হয়ে পরলে সামাজিক দূরত্ব মানা সম্ভব হচ্ছে না। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন শনিবারকে ‘সুপার ডে’ ঘোষণা করে রেস্টুরেন্ট, বার খোলার অনুমতি দেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বারে যাওয়া ব্যক্তিদের দেখে মনে হয়েছে সবাই স্বাধীনতার ‘পূর্ণ ব্যবহার’ করতে চান। ছবিতে দেখা গেছে, লিডসের একটি এলাকায় এক নারী পড়ে আছেন। পুলিশ সদস্যরা তাকে ধরতে এগিয়ে যাচ্ছেন। কোথাও আবার বন্ধুর কাঁধে চড়ে ‘মাতলামি’ করছেন বন্ধু।

শনিবার (০৪ জুলাই) আসার আগেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘ড্রিংকারদের’ আচরণের ব্যাপারে ‘সতর্ক’ থাকতে বলা হয়। কিন্তু সেসব নির্দেশনার কিছুই মানেননি অধিকাংশ মানুষ। ভোর পাঁচটা পর্যন্ত অনেকে রাস্তায় পড়ে ছিলেন। বিধিনিষেধ শিথিল হলেও অনেক রেস্টুরেন্ট এবং বার বন্ধ দেখা গেছে। অধিকাংশ শহরের ৩০ শতাংশ দোকান বন্ধ ছিল। নভেল করোনাভাইরাসে ব্রিটেনে এখন পর্যন্ত ৪৪ হাজার ১৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯০০ জন।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :140 বার!

JS security