খন্দকার মোশতাকের মন্ত্রিসভা

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম : শাহ মোয়াজ্জেম ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সময় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ। অন্য সবাই বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত লাশ ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের সিঁড়িতে রেখেই খন্দকার মুশতাকের হাত ধরে শপথ নেন তারা।

প্রেসিডেন্ট : খন্দকার মুশতাক আহমেদ। ভাইস প্রেসিডেন্ট : মোহাম্মদউল্লাহ (লক্ষীপুর)। বঙ্গবন্ধুর প্রধানমন্ত্রীত্বকালে দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি।

মন্ত্রিসভার ১০ জন সদস্য হলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী (টাঙ্গাইল) : বঙ্গবন্ধুর প্রধানমন্ত্রীত্বকালে প্রথম রাষ্ট্রপতি। অধ্যাপক ইউসুফ আলী (দিনাজপুর) : জিয়ার আমলেও মন্ত্রী। ফণীভূষণ মজুমদার (মাদারীপুর) : ১৯৭৮ সালে ফের আওয়ামী লীগে যোগদান। সোহরাব হোসেন (মাগুরা)। আবদুল মান্নান (টাঙ্গাইল) : ১৯৭৮ সালে আওয়ামী লীগে ফেরত।

মনোরঞ্জন ধর (ময়মনসিংহ) : ফের আওয়ামী লীগে যোগদান ১৯৭৮। আবদুল মোমিন (নেত্রকোনা)। আওয়ামী লীগে ফেরত ১৯৭৮। আসাদুজ্জামান খান (কিশোরগঞ্জ) : ১৯৭৮ সালে আওয়ামী লীগে ফিরে এসে ১৯৭৯ সালে দলীয় মনোনয়নে সাংসদ ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত। ড. আজিজুর রহমান মল্লিক : বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ফাঁসির রশিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদ-াদেশ কার্যকর হওয়া কর্নেল ফারুকের খালু। অধ্যাপক ড. মোজাফফর আহমদ (টিআইবির সাবেক চেয়ারম্যান ও বাপার সাবেক সভাপতি) : সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক পদকপ্রাপ্ত। পরবর্তী সময়ে জেনারেল জিয়া সরকারেরও উপদেষ্টা।

১১ জন প্রতিমন্ত্রী

দেওয়ান ফরিদ গাজী (সিলেট) : দলে ফেরত ১৯৮১ সাল। মোমিন উদ্দিন আহমদ (খুলনা) : এরশাদ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী। অধ্যাপক নুরুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম)।

শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন (মুন্সীগঞ্জ) : বঙ্গবন্ধুর শাসনকালে জাতীয় সংসদের চিফ হুইফ। পরবর্তী সময় এরশাদ সরকারের মন্ত্রী। পরবর্তীতে বিএনপি নেতা।

তাহেরউদ্দিন ঠাকুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) : পরবর্তী সময় জিয়া ও এরশাদ সরকারের সুবিধাভোগী। মোসলেমউদ্দিন খান হাবু মিয়া (মানিকগঞ্জ): দলে ফেরত ১৯৭৮ এবং পরবর্তী সময় মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত। নুরুল ইসলাম মনজুর (পিরোজপুর) : পরবর্তী সময়ে জিয়া সরকারের মন্ত্রী। কে এম ওবায়দুর রহমান (ফরিদপুর) : পরবর্তী সময়ে জিয়া সরকারের মন্ত্রী। ডা. ক্ষীতিশ চন্দ্র মন্ডল (পিরোজপুর) : ১৯৭৮ সালে আওয়ামী লীগে ফেরত এবং পরবর্তী সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত। রিয়াজউদ্দিন আহমদ ভোলা মিয়া (রংপুর) : পরবর্তী সময়ে জিয়া ও এরশাদ সরকারের মন্ত্রী। সৈয়দ আলতাফ হোসেন (কুষ্টিয়া) : পরবর্তী সময় খ-িত মোজাফফর ন্যাপের একাংশের সাধারণ সম্পাদক। চিফ হুইপ : আবদুর রউফ। ১৯৬৮ সালে নীলফামারী মহকুমা (বর্তমানে জেলা) ছাত্রলীগের সভাপতি। দলে ফেরত ১৯৭৮। লেখক : সভাপতি, সিপিবি

সুত্রঃ সিলেট প্রতিদিন

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :238 বার!

error: Content is protected !!
JS security