দিরাইয়ে ইউ/পি সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

দিরাই সংবাদদাতা ঃঃ- সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত মানবিক সহায়তার আড়াই হাজার টাকার তালিকা চুড়ান্তকরণে ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও একই পরিবারের একাধিক সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির তথ্য পাওয়া গেছে।
এরমধ্যে উপজেলার জগদল ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের তালিকায় সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মহিম উদ্দিন নিজের স্ত্রী, মাতা, দুই ভাই, দুই ভাইয়ের স্ত্রী, বোন, দুই ভাতিজা, ভাগনা, চাচাতো ভাই-বোনকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তাছাড়া নিজের স্ত্রীকে অন্য গ্রামের বাসিন্দা দেখিয়ে এমনকি তালিকা ভুক্ত সদস্যদের কাছ থেকে নগদ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে সুত্রে যানা যায়। তালিকা প্রণয়নে সরকারের নির্দেশিত নীতিমালা উপেক্ষা করে এই তালিকা করা হয়েছে, এমন অভিযোগ এনে ওয়ার্ডবাসীর স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ মঙ্গলবার ইউএনও বরাবর দাখিল করা হয়েছে।
প্রকৃত কর্মহীন, দিনমজুর, পরিবহন শ্রমিক ও অসহায় লোকদের বাদ দিয়ে ইউপি সদস্য তাহার মনগড়ামতে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে তার পরিবারের একাধিক সদস্য, নিকটাত্মীয়, একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি, ভিজিডি, বিভিন্ন ভাতাভোগী ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় থাকা ব্যক্তিদের তালিকাভুক্ত করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

দিরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সফি উল্লাহ বলেন, আড়াই হাজার টাকা সহায়তা তালিকায় অনিয়ম সংক্রান্ত প্রত্যেকটি অভিযোগ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করা হবে। ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষ হলে এসব অভিযোগের কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যাদের জন্য এই মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন, সেইসব মানুষের দোরগোড়ায় সুফল পৌঁছে দিতে এবং কোন মধ্যস্বত্ত্বভোগীর কারণে এমন মহৎ উদ্যোগ যেন ভেস্তে না যায়, সেজন্য আমরা সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেব।
এ ব্যাপারে জগদল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শিবলী আহমেদ বেগের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি গ্লোবাল সিলেট ডটকম কে বলেন,যেহেতু এই পরিষদ আমার। এই দায়বারও আমার। ইহা একটি গর্হিত কাজ আমার সরলতার সুযোগে এই কাজটি করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমি কোন সদস্যকে ছাড় দেব না। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে যদি এই তালিকা সংশোধন করার সুযোগ থাকে আমি এর যথাযথ ব্যবস্থা নেব।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :1283 বার!

JS security