দিরাইয়ে ঘূর্ণিঝড়ে নৌকাডুবিতে নিহতদের পরিচয় পাওয়া গেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:- সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে কালনী নদীতে যাত্রীবাহী ট্রলার ( ইঞ্জিন চালিত নৌকা) ডুবিতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফেসবুক ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নিহতদের স্বজনরা তাদের পরিচয় শনাক্ত করেন। নিহতরা সম্পর্কে নানা-নাতি।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে  ১৮/২০ জন যত্রীনিয়ে দিরাই থেকে ধলবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় সুজন মালিকের ট্রলারটি। উজানধল গ্রামের নিকটে আসলে ট্রলারটি কালনী নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে। এ সময়ে ট্রলারটি ডুবে নানা-নাতি নিহত হন।

নিহতরা হলেন, আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়পুর মাটিয়াখাড়া গ্রামের জয়সুন্দর দাস (৫৫) ও তার মেয়ের দিকের নাতি দিরাই উপজেলার জারলিয়া গ্রামের রঞ্জিত দাসের ছেলে প্রীতম দাস (৯)। ডুবে যাবার পর নৌকার অন্য যাত্রীরা সাতরিয়ে ও স্থানীয়দের সহায়তায় তীরে উঠতে পারলেও নৌকার ভেতরে আটকা পড়েন নানা-নাতি। এলাকাবাসী ডুবন্ত নৌকার ভেতর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার  করে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, নিহত জয়সুন্দর দাস দুদিন আগে মেয়ের বাড়ী জারলিয়া গ্রামে বেড়াতে আসেন। শনিবার নাতি প্রীতম দাসকে নিয়ে বাড়ী যাওয়ার জন্য সকাল সাড়ে ৯ টার সময় দিরাই থেকে মার্কুলীগামী ট্রলারে উঠেন। সাড়ে ১০টার দিকে টলারটি ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। এতে নানা-নাতি দুজনেরই সলিলসমাধি হয়।

দিরাই থানা পুলিশ উদ্ধারকৃত মরদেহ দুটি থানায় নিয়ে আসলে বিকেল ৫টার দিকে পরিবারের লোকজন এসে মরদেহ শনাক্ত করে নিয়ে যায়। প্রীতমমের বাবা রঞ্জিত দাস কান্না জড়িত কন্টে বলেন, ২৫ তারিখে তার শশুর বেড়াতে আসার পর থেকেই প্রীতম নানার সাথে তাদের বাড়ীতে যাওয়ার বায়না ধরে। তার আর নানার বাড়ী যাওয়া হলোনা।

দিরাই থানাভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেএম নজরুল জানান, প্রথমে তাদের পরিচয় জানা যায়নি। ফেইসবুকের মাধ্যমে ছবি দেখে তাদের পরিবারের লোকজন থানায় এসে লাশ শনাক্ত করেছেন। পরিবারের লোকজনের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :113 বার!

JS security