প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টারঃ-   সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সুরমা ও লোভা নদীর অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে সাতটি গ্রাম। ইতোমধ্যে কান্দেবপুর নামের একটি গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।নদীর ভাঙন দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করায় হুমকির মুখে পড়েছে সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ নিয়ে স্থানীয়রা অবিলম্বে তাদের বাপ-দাদার ভিটেমাটি রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।শনিবার বিকেলে নদী ভাঙনকবলিত ডালাইচর থেকে আমরিখাল পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন করে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।মানববন্ধন চলাকালে জনপ্রতিনিধি ও রাজনীতিবিদরা বলেন, নদী ভাঙনকবলিত এই এলাকায় প্রতিদিন নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে সুরমা ডাইকের রাস্তা ও বাড়ি-ঘর। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। সুরমা ও লোভা নদীর অব্যাহত ভাঙনে এলাকার বিভিন্ন গ্রামের ফসলি জমি, বাড়িঘর, রাস্তা-ঘাট প্রতিদিন নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এ ব্যাপারে কোনো ধরনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় নদী ভাঙনের চিত্র সরকারের কাছে তোলে ধরার জন্য মূলত এ মানববন্ধন আয়োজন করা হয়েছে।সুরমা ও লোভা নদীর অব্যাহত ভাঙন রোধে ১০ কিলোমিটার নদী ভাঙনকবলিত এলাকায় অতি দ্রুত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করেন বক্তারা।নদী ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিমের সভাপতিত্বে ও উপজেলার দক্ষিণ লক্ষ্মীপ্রসাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমাছ উদ্দিনের পরিচালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী।এতে আরও বক্তব্য রাখেন- সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার কানাইঘাট সরকারি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম রানা, কানাইঘাট পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন, কানাইঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি মামুন রশিদ (চাকসু), সিলেট প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি এম এ হান্নান, চিত্রশিল্পী ভানু লাল দাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রিংকু চক্রবর্তী, স্থানীয় মুরব্বী ফরিদ উদ্দিন ও কাউন্সিলর তাজ উদ্দিন প্রমুখ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন- লক্ষ্মীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা জেমস লিও ফারগুসন নানকা, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল হক, মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার মঞ্জুর হোসেন, নদী ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি বদরুল আলম চৌধুরী বাবু, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এনাম উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক শাহাব উদ্দিন, মাস্টার নুরুল হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হোসাইন আহমদ, ছাত্রলীগ নেতা ইয়াহিয়া ডালিম ও রেজোয়ান এইচ মিনু প্রমুখ।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :286 বার!

error: Content is protected !!
JS security