শিল্পা শেঠির স্বামীর মতোই ঢাকায় পর্নোগ্রাফির জগৎ ছিল রাজের

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে করা দুই মামলায় গ্রেফতার হন প্রযোজক ও রাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার নজরুল ইসলাম রাজ। এ মামলায় বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন রাজ। গত বুধবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর বনানীর রাজের বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব সদস্যরা। এসময় তার বাসা থেকে মাদক ও সীসা সেবনের সরঞ্জাম সহ বিকৃত যৌনাচরণের উপকরণ জব্দ করে র‍্যাব।

সূত্র জানায়, রাজের বনানীর বাসাতে পর্নোগ্রাফি তৈরি কনটেন্ট পাওয়া গেছে। বিশেষ করে তার প্রডাক্শন হাউজের মাধ্যমে যারা মডেল বা অভিনেত্রী হতে ইচ্ছা প্রকাশ করতেন, তাদের সঙ্গে রাজ কোনো না কোনোভাবে শারীরিক সম্পর্ক করতেন। তাদের অনেককে তিনি বাধ্য করতেন। আবার স্বেচ্ছায়ও অনেকে তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়াতেন। এসব কাজের দৃশ্য গোপনে ভিডিও করে রাখতেন তিনি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে ভারতে পর্নোগ্রাফি কাণ্ডে গ্রেফতার অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামীর সঙ্গে মিল রয়েছে প্রয়োজক নজরুল ইসলাম রাজের। দুজনেই অবৈধ পর্নোগ্রাফির সঙ্গে যুক্ত। দুজনেই পর্নোগ্রাফি তৈরির রাজা। দুজনেই প্রায় কাছাকাছি সময়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছেন।

এর আগে গত ১৯ জুলাই পর্নোগ্রাফিক চলচ্চিত্র তৈরি ও একটি অ্যাপের মাধ্যমে সেগুলো সরবরাহ করার অভিযোগে শিল্পা শেঠির স্বামী ও ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রাকে গ্রেফতার করে মুম্বাই পুলিশ। এরপরই বেড়িয়ে আসে রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। পর্নোগ্রাফির ভিডিও বানিয়ে একটি অ্যাপের মাধ্যমে সরবরাহ করতেন তিনি।

এদিকে বাংলাদেশের প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজও পর্নোগ্রাফির সঙ্গে সম্পূক্ত ছিলেন। রিমান্ডে থাকা রাজ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে জানিয়েছেন, কীভাবে পর্নোগ্রাফির জগতে প্রবেশ করলেন তিনি। কীভাবে কাদের দিয়ে এই পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন। দেশে-বিদেশে কোন হোটেলে থাকতেন, কোন কোন মডেলকে কীভাবে ব্যবহার করা হতো, সবই বলেছে রাজ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, রাজ যেসব উঠতি মডেলকে টোপ দিয়ে ফাঁসিয়েছেন, তার একটি তালিকাও গোয়েন্দারা হাতে পেয়েছেন। সেখানে দুই শতাধিক নাম রয়েছে। ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে তিনি পর্নো ভিডিও তৈরি করছিলেন কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া তার আন্ডারওয়ার্ল্ড কানেকশনে শটগান সোহেল ওরফে সোহেল শাহরিয়ার নামে আরেকজনের ব্যাপারেও চলছে অনুসন্ধান।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :55 বার!

JS security