সংবাদ প্রকাশের পর সেই শান্তি রানীর পাশে স্কুলছাত্রী মুক্তা!

মাহমুদ আহসান হাবিব :-  শান্তি রানীর ভাগ্যে কি জুটবে না সরকারি সুবিধা এই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর ঠাকুরগাঁও সেন্ট মাদার তেরেসা স্কুলের ৩য় শ্রেণির ছাত্রী মুক্তা আক্তার সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের আব্দুল লতিফের মেয়ে তার জন্মদিন উপলক্ষ্যে সেই অসুস্থ্য বৃদ্ধ শান্তি রানী (৫২) কে দুই মাসের খাদ্য সামগ্রী ও বস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করেন। খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিলেন, চাল, ডাল, তেল, সাবান, কাঁচা বাজার ইত্যাদি।
এর আগে চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল করোনা পরিস্থিতিতে অসহায়দের সাহায্যে প্রিয়জনদের থেকে পাওয়া উপহার ও স্কুলের টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে জমানো টাকা কর্মহীন, অসহায়, অসচ্ছল মানুষদের মাঝে উপহার হিসেবে ২ বছরে মাটির ব্যাংকে টিফিনের জমানো টাকা মানিনীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিলে জমা দেওয়ার জন্য ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক কামরুজ্জামান সেলিমের হাতে মাটির ব্যাংকটি তুলে দেন।

উল্লেখ্য: স্বামী হারা ওই মহিলা তিনবেলা আহার এবং ওষুধ কেনার টাকার জন্য স্থানীয় এক চায়ের হোটেলে কাজ করেন। করোনাভাইরাসে কারণে হোটেল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। কিন্তু, অসুস্থতার জন্য তিনি আর কাজ করতে পারছে না।

একমাত্র ছেলেটাও তাকে আর দেখেনা। করোনাকালে কাজ বন্ধ থাকায় সরকারি ও স্থানীয়দের কাছে কোন প্রকার সাহায্য সহযোগীতাও পাননি। স্থানীয় মেম্বার চেয়ারম্যানের কাছে সাহায্যের জন্য গেলে তারাও খালি হাতে ফিরিয়ে দেয়। নিরুপায় হয়ে ও এক মুঠো আহারের জন্য বাড়ির পাশে এক হোটেলে কাজের সন্ধানে গেলে হোটেল মালিক বৃদ্ধ ভেবে তারিয়ে দেয়।

বর্তমানে তিনি অসুস্থ্য হয়ে বিভিন্ন রোগ যন্ত্রণায় বিছানায় কাত্তাচ্ছেন। ঠাকুরগাঁও সদর ইউএনওর সাথে দেখা করতে ৫ দিন ধরে উপজেলা গেটে বসে থেকেও ইউএনওর সাথে কেউ দেখা করতে দেয়নি। 

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :128 বার!

JS security