সিলেটে ফের রেকর্ড ৮ জনের মৃত্যু: নতুন শনাক্ত ২৫৩ জন

সিলেটে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে আরও ৮ জনের । একই সময়ে সিলেট বিভাগে ২৫৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। আর আগে গত ৮ এপ্রিলের পর ফের ভাইরাসটিতে ৮ জনের মৃত্যু একদিনে দেখল সিলেট। যা বিভাগে একদিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু। আজ সোমবার (৫জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. সুলতানা রাজিয়া গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ২৫৩ জন রোগীর মধ্যে ১১৭ জনই সিলেট জেলার বাসিন্দা। বাকিদের মধ্যে সুনামগঞ্জের ২১ জন, হবিগঞ্জের ৫৪ জন এবং মৌলভীবাজারের ৬১ জন রয়েছেন।  গত ২৪ ঘন্টায় সিলেটে ১০৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সুস্থদের মধ্যে ৮৫ জন সিলেট জেলার, হবিগঞ্জের ৬ এবং ১৪ জন মৌলভীবাজার জেলার বাসিন্দা। সূত্র জানায়, সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৬ হাজার ৯৬৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে সিলেট জেলায় সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ৮১৬ জন, সুনামগঞ্জে ৩ হাজার ৭৭ জন, হবিগঞ্জে ২ হাজার ৮৯২ জন ও মৌলভীবাজারে ৩ হাজার ১৮২ জন রয়েছেন।

সিলেট বিভাগে সোমবার আরও ৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী মারা গেছেন। তাদের মধ্যে সিলেট জেলার ৪ জন হবিগঞ্জের ২ জন এবং সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের ১ জন করে রয়েছেন।  এনিয়ে সিলেট বিভাগে ৪৯১ জন করোনাভারাইরাসে আক্রান্ত রোগী মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে সিলেট জেলায় সর্বোচ্চ ৩৯৯ জন, সুনামগঞ্জে ৩৪ জন, হবিগঞ্জে ২১ জন এবং মৌলভীবাজার জেলায় ৩৭ জন রয়েছেন।

বিভাগে এ পর্যন্ত ২৪ হাজার ৮৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়েছেন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ১৬ হাজার ৪০১ জন, সুনামগঞ্জে ২ হাজার ৮৩৬ জন, হবিগঞ্জ জেলায় ২ হাজার ১১৬ জন ও মৌলভীবাজারে ২ হাজার ৭৩২ জন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৪২৪ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৯৬ জন, সুনামগঞ্জের হাসপাতালে ৭ জন, হবিগঞ্জের হাসপাতালে ৬ ও মৌলভীবাজারের হাসপাতালে ১৫ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সুলতানা রাজিয়া বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ২৫৩ জন এবং সুস্থ হয়ে উঠেছেন আরও ১০৬ জন। এসময়ে সিলেটে  করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৮ জনের  মৃত্যু হয়েছে।

....সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুন

মন্তব্য

সংবাদটি পড়া হয়েছে :39 বার!

JS security