দুর্যোগ

মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ম শ্রেণীর ছাত্র নিহত

মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ম শ্রেণীর ছাত্র নিহত

এসকে ইকবাল হোসাইন দক্ষিণ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:- সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সড়ক দুুর্ঘটনায় এক স্কুল ছাত্র ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছে। জগন্নাথপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের ইজলা পয়েন্ট এলাকায় লেগুনার চাপায় ৮ম শ্রেণীর স্কুল ছাত্র ইমন মিয়া (১৫) নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে আজ শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে। নিহত স্কুল ছাত্র ইমন মিয়া কলকলিয়া ইউনিয়নের নাদামপুর গ্রামের প্রবাসী জমত আলীর একমাত্র ছেলে। জানাগেছে, ইমন মিয়া বাইসাইক চালিয়ে বাজার থেকে বাড়িতে যাওয়ার পথে একটি লেগুনা দ্রুতগতিতে এসে তাঁকে চাপা দেয় এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় লোকজন সড়ক অবরোধ করলে গাড়ি রেখে ড্রাইবার পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ি থানায় নিয়ে আসে।
আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়পুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড – ৩৯টি দোকান পুড়ে ছাই ॥

আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়পুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড – ৩৯টি দোকান পুড়ে ছাই ॥

গ্লোবাল ডেস্ক:- আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়পুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ওই বাজারের ৩৯টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে অনুমানিক প্রায় ৩০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা। জানা যায়, গতকাল শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে পাহাড়পুর বাজারের ব্যবসায়ি বিষ্ণুপদ দাসের মালিকাধীন একটি জালের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ওই সময় দোকানটি বন্ধ থাকায় কেউই অগ্নিকান্ডের বিষয়টি বুঝতে পারেনি। মূর্হুতেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। একে একে বিভিন্ন দোকানে আগুন লাগতে শুরু করে। ওই এলাকায় জাল এবং কাপড়ের দোকান বেশি হওয়ায় নিমেশেই আগুন ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। স্থানীয় লোকজন পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও আগুনের তাপে কেউ কাছেই যেতে পারেননি। এদিকে, পাহাড়পুর বাজার একটি দূর্গত হাওর অঞ্চলিয় এলাকায়। এছাড়া আজমিরীগঞ্জ উপজেলাতেও কোন ফায়ার স্টেশন না থাকায় খবর দেয়া হয় নবীগঞ্জ ও বানিয়াচং
দক্ষিণ সুনামগঞ্জে দুঃস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

দক্ষিণ সুনামগঞ্জে দুঃস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

এস কে ইকবাল হুসাইন (দঃ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি):-  দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নে (২৬ জুলাই) রবিবার আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে অসহায়, গরীব ও দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য সহায়তা হিসেবে বিজিএফ এর চাল বিতরণ করা হয় । সর্বমোট ৭২০ জনকে ১০ কেজি করে প্রায় ৭ টন ২শত কেজি চাউল বিতরণ করা হয় । গরীব ও অসহায় মানুষের মাঝে চাউল বিতরণ করেন পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান জনাব নুর কালাম এবং পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ এর সদস্যগন উপস্তিত ছিলেন । পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান জনাব নুর কালাম বলেন আমি প্রতিনিয়ত জনগনের পাশে আছি এবং থাকব । আমি চাই আমার জনগন যেন সর্বদা ভাল থাকেন । আমি জনগনের সবসময় দেখাশুনা করে আসছি। চেয়ারম্যান আরোও বলেন, একদিকে করোনা এবং অন্য দিকে  বন্যার পরিস্থিতি খুব ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। আমি এই দুর্যোগ মুহূর্তে  জনগনের পাশে দাঁড়াতে পারছি বলে খুব ভাল লাগছে। আমি দোয়া
দিন দিন বাড়ছে ফেঞ্চুগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানি

দিন দিন বাড়ছে ফেঞ্চুগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানি

ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি :- পাহাড়ি ঢল আর অধিক বৃষ্টিপাতের কারণে দিন দিন বাড়ছে কুশিয়ারা  নদীর পানি। ইতমধ্যে নদীর পানি বিপদসীমার ৫ সে.মি উপরে বইছে।  স্থানীয় সুত্র জানায়, আরও কয়েকদিন ভারি বৃষ্টিপাত হলে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হবে।  এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য এলাকা হল উপজেলার নদী তীরবর্তী ফেঞ্চুগঞ্জ সদর ইউনিয়ন।  যদিও গত বছরের ড্রেজিং করার কারণে এবার বন্যার পূর্বাভাসটা দেরিতেই আসছে। তবে এখনো আশংকা করা হচ্ছে বন্যা হওয়ার।
বন্যা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার, সুনামগঞ্জসহ ৮ জেলায় ত্রাণ বরাদ্দ

বন্যা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার, সুনামগঞ্জসহ ৮ জেলায় ত্রাণ বরাদ্দ

গ্লোবাল ডেস্ক :- উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে সিলেটসহ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যায় ডুবতে বসেছে জনপদ এবং ফসল। পানিবন্দি হচ্ছে হাজারো মানুষ। এই বন্যা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। বন্যা কবলিত এলাকায় পর্যাপ্ত ত্রাণ ও টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ রোববারের (২৮ জুন) মধ্যে জেলাগুলোতে প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে। নগদ ৪৭ লাখ টাকা এবং ৪৬০ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ প্রক্রিয়াধীন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসাবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মো. মোহসীন বলেন, বন্যা কবলিত এলাকায় সব সময় খেয়াল রাখা হচ্ছে, আমরা প্রস্তুত আছি। তিনি জানান, জেলা প্রশাসকদের অধীনে সব সময় ত্রাণ বরাদ্দ রাখা থাকে। আজ অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়েছি। সুনামগ
ছাতকের সাথে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ছাতকের সাথে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ছাতক প্রতিনিধি :: টানা তিনদিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নদনদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ভয়াবহ বন্যায় ছাতক-সিলেট সড়কের একটি অংশ তলিয়ে যাওয়ায় সুনামগঞ্জের ছাতক শহরের সাথে সারা দেশের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। শনিবার রাত ১০টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পৌর শহরের প্রায় সবকটি সড়কে পানি উঠে গেছে। শহরের অলি-গলি, বাসা-বাড়ি ও আঙ্গিনায় বন্যার পানি প্রবেশ করায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে শহরবাসী। এছাড়া সুরমা, চেলা, পিয়াইন, বটেরখাল, কাকুরা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় সকাল থেকেই একের পর এক গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে গিয়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের প্রায় ৮০% মানুষ পানিবন্দী ছাড়াও সবকটি ইউনিয়নের হাটবাজার, অনেকের ঘরবাড়ি ও বাড়ির আঙ্গিনায় বন্যার প্লাবিত হয়ে ঘর বন্দী হয়ে আছেন মানুষ। আকস্মিক বন্যায় ভেসে গেছে শতাধিক মৎস্য খামারের মাছ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শাকসবজি
সুনামগঞ্জ শহরের নিম্নাঞ্চল বন্যায় প্লাবিত

সুনামগঞ্জ শহরের নিম্নাঞ্চল বন্যায় প্লাবিত

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জে নদী তীরবর্তী এলাকা ও নিম্নাঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানিতে সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকা ডুবে গেছে। ভারী বৃষ্টিপাত এবং উজানে ভারতের মেঘালয় পাহাড় ও চেরাপুঞ্জিতে টানা বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জে বন্যা দেখা দিয়েছে। শনিবার সকাল থেকে সুরমা নদী উপচে সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকা ডুবে গেছে যায়। শহরে তেঘরিয়া, আরপিননগর, বড়পাড়া, কাজির পয়েন্ট, ষোলঘর, ওয়েজখালি, মল্লিকপুসহ বিভিন্ন এলাকা তলিয়ে যায়। এদিকে, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বন্যা দেখা দেয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন সুনামগঞ্জের বন্যাকবলিত মানুষ। কারো কারো বাড়িতে উঠে গেছে পানি। শহরের পশ্চিম তেঘরিয়া এলাকার আহমদ হোসেন বলেন, আমার ঘরে প্রায় কোমর পানি। সকালে জিনিসপত্র সরাতে সরাতে পানি ওঠে গেছে। কি করব এখন কিছুই করার নাই। যে কারো বাসায় গিয়ে ওঠতে হবে। আশ্রয়ের জন্য এছাড়া আর উপায় নেই। ঘরে খাবার যা ছিল
ইতালিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৬৯ জনের মৃত্যু

ইতালিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৬৯ জনের মৃত্যু

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে ইতালিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ হাজার ১৩৪ জনে দাঁড়ালো। ইতালির সিভিল প্রোটেকশন এজেন্সি শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে দেশটিতে গত ২১ মার্চ ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া গত বৃহস্পতিবার করোনায় দেশটিতে ৭১২ জন, বুধবার ৬৮৩ জন, মঙ্গলবার ৭৪৩ জন এবং সোমবার ৬০২ জনের মৃত্যু হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৬ হাজার ৪৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে। যা চীনের আক্রান্তের সংখ্যাকেও ছাড়াল। এদিকে প্রাণঘাতী এই করোনা ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখ ৭৫ হাজার ছাড়িয়েছে। সেইসঙ্গে মৃতের সংখ্যা ২৬ হাজারের বেশি। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে সর্বপ্রথম করোনা ভাইরাসের আবির্ভাব ঘটে। এরপর একে একে বিশ্বের ১৮০ টির বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। প্রতিক্ষণে এই ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। সূত্র :
বিজ্ঞানীদের ঘুম হারাম, ৩৮০ বার জিন বদলেছে করোনা

বিজ্ঞানীদের ঘুম হারাম, ৩৮০ বার জিন বদলেছে করোনা

বারবার নিজের জিন বদলে উত্তোরত্তর ভয়াবহ হয়ে উঠছে করোনাভাইরাস। এরই মধ্যে সে টিকে থাকার স্বার্থে ৩৮০ বার নিজের জিন বদলে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, কোভিড-১৯ এর এই জিন মিউটেশনই ভয়ের আসল কারণ। যার জেরে বিশ্বের সব বিজ্ঞানীদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে আমজনতার মধ্যেও। মাঝেই মাঝেই শোনা যাচ্ছে এবারে এই ভাইরাসকে জব্দ করা যাবে ভ্যাকসিন দিয়ে। কিন্তু প্রতিষেধক কতটা কাজের কাজ করতে পারবে সেই নিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরাও চিন্তায় পড়েছেন। হিউম্যান প্যাথোজেনিক ভাইরাসের সংক্রমণজনিত অসুখের এক গবেষকের মতে, এতো কম সময়ের মধ্যে ঘন ঘন জিন মিউটেশন করে নিজের চরিত্র বদলে ফেলছে এই ভাইরাস। তাই একে রুখতে সুনির্দিষ্ট কোনও ওষুধ ব্যবহার করা মুশকিল। প্রায় দুদশক ধরে করোনা গোত্রেরই ভাইরাস নিয়ে চিকিৎসকরা চিন্তিত। চীনের উহান থেকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এই কোভিড-১৯ ভাইরাসের ১৮ বছর আগে সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম বা স

‘যে শীত পইছে গরিবের মরণ ছাড়া উপায় নাই বাহে’

মোঃ সিরাজুল ইসলাম নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ঃ- হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত নীলফামারীর ডিমলায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। দিন দিন কমছে তাপমাত্রা, বাড়ছে শীতের তীব্রতা। তীব্র শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। ঠান্ডায় তারা কাজে বের হতে পারছেন না। ডিমলা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মাহামুদুল ইসলাম জানান, নীলফামারীতে বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সকাল ৯টা পর্যন্ত হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করেছে যানবাহনগুলো। এদিকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, সকাল ৬টায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল থেকে তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। ফলে রাতে ও সকালে তীব্র শীত অনুভূত হয়। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে পুরো জেলা। অনবরত ঠান্ডা বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেও সূর্যের দেখা
JS security