দুর্যোগ

ফেঞ্চুগঞ্জে বাস চলাচল বন্ধ , ভোগান্তির শিকার শিক্ষার্থীরা

ফেঞ্চুগঞ্জে বাস চলাচল বন্ধ , ভোগান্তির শিকার শিক্ষার্থীরা


Warning: printf(): Too few arguments in /home/globalsylhet/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
মুহাম্মদ হাবিলুর রহমান জুয়েল, ফেঞ্চুগঞ্জঃ- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার প্রধান বিদ্যাপীঠ ফেঞ্চুগঞ্জ সরকারি কলেজে শিক্ষার্থীদের আসা যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম বাস। কিন্তু ঈদের পূর্বে থেকেই সিলেট থেকে ছেড়ে আসা বাসগুলো আর কলেজ রোড় হয়ে ভাটেরা যাচ্ছে না। এর প্রধান কারণ কলেজের পাশেই ফুলবাড়ি ও শরিফগঞ্জের মাঝখানে বৃষ্টির পানির কারণে গভীর গর্ত হয়েছে। যার কারণে বাসগুলো সিলেট থেকে সরাসরি পুরানবাজার এসে থেমে যাচ্ছে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়ার আশংকা ফেঞ্চুগঞ্জ সরকারি কলেজের প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থীদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে অনেক শিক্ষার্থী এব্যপারে দ্রুত প্রদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন। কেননা মঙ্গলবার কলেজ খোলার পরই এবছরের এইচ এস সি পরিক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীদের প্রাথমিক টেস্ট পরিক্ষা রয়েছে। কলেজের অধিকাংশ শিক্ষার্থী মাইজগাঁও -বিয়ানীবাজার ও ঘিলাছড়া ইউনিয়নের হওয়ায় তাদের পক্ষে যথাসময়ে কলেজে উপস্থিত
ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বস্তিতে নিঃস্ব মানুষের আর্তনাদ

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বস্তিতে নিঃস্ব মানুষের আর্তনাদ


Warning: printf(): Too few arguments in /home/globalsylhet/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
গ্লোবাল ডেস্ক :-  রাজধানীর নিন্মবিত্ত মানুষের প্রধান আবাসস্থল বস্তি। ছোট-ছোট ঘরগুলোতেই সুখের নীড় বাঁধেন নিন্মবিত্ত মানুষগুলো। গতকালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাজানো-গোছানো আশ্রয়স্থল হারিয়ে তারা এখন নিঃস্ব, বাকরুদ্ধ। কিভাবে সামনের দিনগুলোতে কী করবেন, সে দুশ্চিতার শেষ নেই তাদের। আগুনের ভয়াবহ তীব্রতায় ঝিলপাড় বস্তি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। নিঃস্ব মানুষদের আর্তনাদে ঝিলপাড় বস্তির বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে। পুড়ে ছাই হয়ে গেছে কাঁচা টিনের ঘরগুলো এবং ঘরের সব সরঞ্জাম। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিটের দিকে মিরপুরের চলন্তিকা মোড় সংলগ্ন ঝিলপাড় বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা ধরে ২৪টি ইউনিটের প্রচেষ্টায় রাত সাড়ে ১০টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস। রাত দেড়টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপন করা সম্ভব হয়। গত রাত থেকে না খেয়ে থাকা আলমগীর বলেন, আইজও দুপুর হইতে লাগলো এহনো কিছু খাইতে পারি
টাঙ্গাইলে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা -১২০

টাঙ্গাইলে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা -১২০


Warning: printf(): Too few arguments in /home/globalsylhet/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
টাংগাইল প্রতিনিধিঃ- টাঙ্গাইলের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘন্টায় টাঙ্গাইলের বিভিন্ন হাসপাতাল গুলোতে ভর্তি হয়েছে ৩৫ জন। বর্তমানে টাঙ্গাইলে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২০ জন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ নারায়ন চন্দ্র সাহা জানান, হাসপাতালে রোববার (৪ আগস্ট) ১৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে। কিন্তু হাসপাতালের ডেঙ্গু ফিবার রেজিস্টারে দেখা যায় মোট ১৯ জন ভর্তি হয়েছে। কিন্তু কতজন রোগী হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে বা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে তা জানাতে পারেন নি তত্ত্বাবধায়ক। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন শরীফ হোসেন খান জানান, নাগরপুর ও সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন করে রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়াও ঘাটাইলে ১৫ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে আর বাকী ১২ জনকে স্থানীয় বেসরক
শাল্লায় বন্যায় প্লাবিত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করলেন-ড.জয়া সেন

শাল্লায় বন্যায় প্লাবিত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করলেন-ড.জয়া সেন


Warning: printf(): Too few arguments in /home/globalsylhet/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
স্টাফ রিপোর্টারঃ-  সুনামগঞ্জের শাল্লায় বন্যায় প্লাবিত মানুষের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছেন সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ ড. জয়া সেনগুপ্তা। তিনি সোমবার (১৫ জুলাই) বিকাল তিন টায় উপজেলার রৌয়া, সীমেরকান্দা, গোবিন্দপুর ও মুক্তাপুর গ্রামের প্রায় শতাধিক বন্যার্ত পরিবারের মধ্যে এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। ত্রাণ বিতরণ কালে তিনি বলেন, যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগকে ভয় পেলে চলবে না, সাহস নিয়ে তা মোকাবেলা করতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব সময় আপনাদের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন এবং আপনাদের জন্য প্রচুর পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছেন। গত ২০১৭ সালের অকাল বন্যায় যখন সবকিছু তলিয়ে গিয়েছিল তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাদের দেখতে শাল্লায় ছুটে এসেছিলেন। এখনো আপনাদের প্রতি উনার সুদৃষ্টি আছে। আপনারা সাহস হারাবেন না। সরকার সব সময়ই আপনাদের সাথে আছে। এসময় তার সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, সহকারি
কমলগঞ্জে নদী ভাঙ্গনে পাঁচ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি-শুকনো খাবার বিতরণ

কমলগঞ্জে নদী ভাঙ্গনে পাঁচ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি-শুকনো খাবার বিতরণ


Warning: printf(): Too few arguments in /home/globalsylhet/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
মোঃ মালিক মিয়া কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের রামপাশা গ্রামের সার্বজনীন দুর্গা বাড়ির নিকটে। কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে। গত শুক্রবার রাতে এবং গতকাল ১৪ জুলাই রোজ রবিবার রাত দুইটার দিকে প্রায় ২০ ফুট জায়গা নিয়ে ধলাই নদীর নতুন করে প্রতি রক্ষা বাঁধ ভেঙে যায়। যার ফলে দুই দফা নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছেন এ ওয়ার্ড সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার শত শত পরিবার।দুপুর দুইটার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় গ্রামের শফিউল্লাহর ছেলে সেলিম মিয়া টিনের বেড়া ঘরের ভিতরে প্রায় হাটু পানি রয়েছে। ভানুগাছ বাজারের ব্যবসায়ী মাখন দেবের বাড়ি সহ আশপাশে বসবাস কারী সবাই পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।এ এলাকার প্রায় শতাধিকেরও অধিক কুকুর ও মাছের ফিশারি সহ ধানি জমি রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির স্রোতে ভানুগাছ চৈতন্য গঞ্জ নারায়ণপুর সড়ক
সুনামগঞ্জে পানিবন্দী মানুষ কঠিন পরিস্থিতিতে দিন যাপন করছে

সুনামগঞ্জে পানিবন্দী মানুষ কঠিন পরিস্থিতিতে দিন যাপন করছে


Warning: printf(): Too few arguments in /home/globalsylhet/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
গ্লোবাল ডেস্ক:- টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সীমান্তঘেষা হাওর জনপদ সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলের মানুষের এক দুর্যোগময়  কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করছে। চতুর্দিকে দেখা দিয়েছে হাহাকার। যান চলাচলে বিঘ্নিত ঘটায় এলাকার মানুষ চরম ভোগান্তিতে দিনাতিপাত করছে। যদিও হাওরপাড়ের এসব মানুষ তাদের জীবনের প্রতিটি বর্ষায় এমন প্লাবন দেখে আসছেন অনেকটাই নিয়মিত। তাদের কাছে এমন ঘটনা অনেকটা স্বাভাবিক হলেও এবারের বর্ষায় দেখা দিয়েছে বন্যা ঝুঁকি। গত কয়েকদিনে নদীগুলোতে ঢলের বেগ অন্যান্যবারের চেয়ে বেশী হওয়ায় ও ভাড়ি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পানিবন্দি হয়ে পরেছেন কয়েক হাজার মানুষ। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে জেলা সদরের সঙ্গে তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মানুষের। বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে সুরমাসহ সকল শাখা নদীর পানি। হাওর নিকটবর্তী নতুন নতুন গ্রামগুলোও অব্যাহত বৃষ্টিপাতের ফলে প্লাবি
স্কুল থেকে ফেরার পথে সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে পিতা-পুত্র – নিহত

স্কুল থেকে ফেরার পথে সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে পিতা-পুত্র – নিহত


Warning: printf(): Too few arguments in /home/globalsylhet/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :- সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় স্কুল থেকে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে পিতা পুত্রের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহতের কন্যা সন্তান।  বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে সদর ইউনিয়নের কাশীপুর গ্রামের হেলিপ্যাড মাঠে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহতের নাম মো. ছাবিদুর রহমান চৌধুরী ও পুত্র মো. অন্তর চৌধুরী (৬)। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার প্রায় ১২ টার দিকে জামালগঞ্জ চাইল্ড কেয়ার কিন্ডার গার্ডেন থেকে সদর ইউনিয়নের কাশীপুর গ্রামের ছাবিদুর তার ছেলে অন্তর ও মেয়ে নৈশীকে নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় মুসলধারের বৃষ্টি হচ্ছিল। বাড়ির কাছাকাছি হেলিপ্যাড মাঠে আসা মাত্রই বজ্রপাতের শিকার হয়ে ৩ জনই মাটিতে লুঠে পড়েন। এ সময় ঘটনাস্থলেই ছেলে মো. অন্তর চৌধুরী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের পিতা ছাবিদুর রহমান চৌধুরী ও তার কন্যা নৈশী চৌধুরী (৯) গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত অন্তর জাম
হঠাৎ ধুলো ঝড়-বজ্রপাতে ১৯ জনের – মৃত্যু

হঠাৎ ধুলো ঝড়-বজ্রপাতে ১৯ জনের – মৃত্যু


Warning: printf(): Too few arguments in /home/globalsylhet/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:- প্রবল ধুলোঝড় এবং বজ্রপাতে ভারতের উত্তর প্রদেশে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৪৮ জন। আজ শুক্রবার সকালে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে রাজ্য ত্রাণ কমিশন।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রবল ধুলোঝড় শুরু হয় উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায়। সেই সঙ্গে চলতে থাকে বজ্রপাত। তাতে বহু বাড়ির দেয়াল ভেঙে পড়ে। রাস্তাঘাটে উপড়ে পড়ে অসংখ্য গাছপালা।  বিবৃতিতে বলা হয়, প্রবল ধুলোঝড় এবং বজ্রপাতের কবলে পড়ে মইনপুরিতে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এটাহ‌্ এবং কাসগঞ্জে প্রাণ হারিয়েছেন ছয়জন। মোরাদাবাদ, বদায়ু, মথুরা, কনৌজ, সম্ভল এবং গাজিয়াবাদে প্রাণ গেছে সাতজনের।ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের সাহায্যের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সকলের কাছে ত্রাণ পৌঁছচ্ছে কিনা, তা দেখার নির্দেশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী এবং জেলার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
শায়েস্তাগঞ্জে আগুনে আট দোকান পুড়ে ছাই-২ কোটি টাকার ক্ষতি

শায়েস্তাগঞ্জে আগুনে আট দোকান পুড়ে ছাই-২ কোটি টাকার ক্ষতি


Warning: printf(): Too few arguments in /home/globalsylhet/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
গ্লোবাল ডেস্ক :- হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ শহরে আগুনে আট দোকান পুড়ে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরমধ্যে পাঁচটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সকাল ৬টার দিকে শহরের দাউদনগর বাজরের হাজী কমপ্লেক্সে এ ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট দুই ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে হাজী কমপ্লেক্সে একটি বিকট শব্দ শোনা যায়। এরপরই দেখা যায় কমপ্লেক্সে থেকে আগুন ধোঁয়া বের হচ্ছে। মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা পুরো কমপ্লেক্সে ছড়িয়ে পড়ে। পরে খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ২টি ও হবিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। মাকের্টের নৈশপ্রহরী আব্দুল মজিদ বলেন, বিকট শব্দে ঘুম ভাঙতে দেখি শামীম টেলিকম থেকে আগুন বের হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের দোকানগুলোতে। এতে বেবি চয়েজ, আফিল ক্লথ ষ্টোর, সিকদার পয়েন্
মাঝরাতে হঠাৎ ঘরটি কালনি-কুশিয়ারা নদীতে তলিয়ে যায়

মাঝরাতে হঠাৎ ঘরটি কালনি-কুশিয়ারা নদীতে তলিয়ে যায়


Warning: printf(): Too few arguments in /home/globalsylhet/public_html/wp-content/themes/viral/inc/template-tags.php on line 113
গ্লোবাল ডেস্ক:-  আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেও ইউপির মণিপুর গ্রামের বাসিন্দা হক মিয়া। পরিবার পরিজন নিয়ে রাতে বসত ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। মাঝরাতে হঠাৎ তাঁর ঘরটি কালনি- কুশিয়ারা  (ভেড়ামোহনা) নদীতে তলিয়ে যায়। কোন রকমে সাতরিয়ে পাড়ে উঠেন পরিবারের ৫ সদস্য। শিশুরা না থাকায় প্রাণহাণী না ঘটলেও পানিতে ভেসে যায় বসতভিটা ও ঘরে থাকা আসবাবপত্র।শুধু হক মিয়া নন। নদী ভাঙনের কবলে পড়ে নিঃস্ব হয়েছেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেও ইউপির সৌলরী, মণিপুর, বদরপুর, জয়নগর ঋষি হাটি, কাদিরপুর, নজরাকান্দা, সাহনগরসহ ১০টি গ্রামের প্রায় ২ শতাধিক পরিবার। যুগ যুগ ধরে এ অবস্থা চলে আসলেও নদী ভাঙন থেকে গ্রামবাসিকে রক্ষা করতে কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না।শুধু বর্ষা মওসুমেই নয়, শুষ্ক মওসুমেও নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না নদী পাড়ের গ্রামবাসী। কালনী-কুশিয়ারা (ভেড়ামোহনা) নদী শুধু বসত ভিটাই গ্রাস করেনি। গ্রাস করেছে মসজ
error: Content is protected !!
JS security