দুর্যোগ

বিধিনিষেধ আরও ৭ দিন বাড়ছে

বিধিনিষেধ আরও ৭ দিন বাড়ছে

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউনের (বিধিনিষেধ) মেয়াদ আরও ৭ দিন অর্থাৎ ২৩ মে পর্যন্ত বাড়ছে। বৃহস্পতিবার (১৩ মে) জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ তথ্য জানান। আগামী ১৬ মে মেয়াদ বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আটদিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। পরে তিন দফা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সেই মেয়াদ শেষ হবে আগামী ১৬ মে (রোববার) মধ্যরাতে। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিধিনিষেধের জন্য পরীক্ষা কম হচ্ছে, শনাক্তও কম হচ্ছে। এটা সায়ন্সের মতো, আমরা যখন কঠোরতা দিলাম, আমাদের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা গত মাসের ১৫ তারিখের দিকে বলেছিলেন মে মাসের প্রথম সপ্তাহের দিকে এটা কমতে থাকবে। ঠিকই সেটা কমেছে। কিন্তু আমাদের বাস্তবতার নিরিখে দোকানপাট খুলে দিতে হলো, সেক্ষেত্রে আমরা দেখছি অনেক মানুষ বাইরে যাচ্ছে। শতভাগ
মানুষ সুরক্ষা মানল না, চলে গেল যে যেমনে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মানুষ সুরক্ষা মানল না, চলে গেল যে যেমনে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা সংবাদদাতা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা পরিস্থিতি মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আছে। মানুষ যেভাবে বাড়িতে গেল, তাতে আমরা খুবই মর্মাহত হলাম। সরকার তো চেষ্টা করেছে মানুষকে সুরক্ষিত রাখার। সে জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। কিন্তু মানুষ সেই সুরক্ষা মানল না। চলে গেল যে যেমনে পারে। বুধবার উপহার হিসেবে বাংলাদেশকে চীনের দেওয়া পাঁচ লাখ ডোজ করোনার টিকা হস্তান্তর উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এটি আশা করব, তারা যেন নিজের জায়গায় গিয়ে বেশি ঘোরাফেরা না করেন। তারা যেন ভাইরাসটা ছড়িয়ে না দেন। আমরা আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি, যাতে ভাইরাসটি ছড়িয়ে না যায়। তিনি বলেন, এই দুঃসময়ে আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং ও দেশটির নাগরিকদের ধন্যবাদ জানাই। আমরাও চীনের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম, য
মায়ের পরকীয়া প্রেমিককে যেভাবে ধরিয়ে দিল শিশু

মায়ের পরকীয়া প্রেমিককে যেভাবে ধরিয়ে দিল শিশু

ঢাকা সংবাদদাতা: স্বামী ও দুই শিশু সন্তানকে রেখে কারখানার ম্যানেজারের সঙ্গে পরীকয়ায় জড়িয়েছিলেন এক নারী পোশাক কর্মী। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ওই নারী এখন পরকীয়া প্রেমিককে স্বামী বলে দাবি করছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘের বাজার ঈদগামাঠ এলাকায়।এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নয় বছর আগে মেম্বারবাড়ি এলাকার আবদুস সাত্তারের ছেলে জাহাঙ্গীরকে ভালোবেসে বিয়ে করেন স্বপ্না (ছন্দনাম)। জাহাঙ্গীর পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। তাদের ঘরে ফুটফুটে দুই শিশুপুত্র রয়েছে। কিন্তু স্বামী-সন্তানদের রেখেই কারখানার ম্যানেজারের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন স্বপ্না। জানা গেছে, মেম্বারবাড়ি এলাকায় একটি কারখানা চাকরি করেন স্বপ্না। আর সেখানকার ম্যানেজার হলেন শাহরিয়ার পারভেজ। তিনিও বিবাহিত ও তার তিনজন সন্তান রয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁ জেলার সদর থানায়।অভিযোগ উঠেছে, কাজের কারণে স্বপ্নার রাজমিস্
ভারতের সেরাম টিকার চুক্তি ভঙ্গ করেছে: মান্নান

ভারতের সেরাম টিকার চুক্তি ভঙ্গ করেছে: মান্নান

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা আনতে যে চুক্তি হয়েছিল তা এক অর্থে ভেঙে গেছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। আইনগতভাবে সে চুক্তি থেকে ভারতের বের হওয়ার পথ না থাকলেও করোনাভাইরাসে দেশটির বিপর্যয়ের কথা অস্বীকার করারও সুযোগ নেই বলে মনে করেন মন্ত্রী। মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনা মন্ত্রী এ কথা বলেন। মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের ভ্যাকসিন সরবরাহের চুক্তি ছিল। সেটা এক অর্থে ভেঙে গেছে। চুক্তি থেকে আইনগতভাবে তাদের বেরুনোর কোনো পথ নেই। আইনগত-নৈতিক সকল দিক থেকেই আমাদের অবস্থান খুবই স্ট্রং। কিন্তু একটা বিষয় তো স্বীকার করতেই হবে-ভারতের যে দুরবস্থা আমরা দেখছি, সেটা তো কোনো আনন্দের বিষয় নয়। আমরা দুঃখিত। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, তারা তাদের ঘর যদি সঠি
শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়েছে খালেদা জিয়ার: সিসিইউতে স্থানান্তর

শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়েছে খালেদা জিয়ার: সিসিইউতে স্থানান্তর

ঢাকা সংবাদদাতা: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেছে।তাকে সোমবার বিকালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউতে) স্থানান্তর করা হয়েছে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ম্যাডামকে সিসিইউতে নেওয়া হয়েছে। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।পরে বিস্তারিত জানানো হবে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত খালেদা জিয়া এখন রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’র সব স্টাফ ইতোমধ্যে করোনামুক্ত হয়েছেন। গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজায়’ তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে চিকিৎসা শুরু হয়। ১৪ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর দ্বিতীয়বারের মতো খালেদা জিয়ার করোনা টেস্ট হলেও ফলাফল পজিটিভ আসে। এরপর ২৭ এপ্রিল রা
করোনায় দেশে ১৫৪ চিকিৎসকের মৃত্যু

করোনায় দেশে ১৫৪ চিকিৎসকের মৃত্যু

ঢাকা সংবাদদাতা: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে এখন পর্যন্ত ১৫৪ জন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ২৯১১ জন চিকিৎসক। প্ল্যাটফর্ম অব মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল সোসাইটির তথ্যসূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার পর্যন্ত সারাদেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে, করোনার উপসর্গ নিয়ে মোট ২০০ জন চিকিৎসক মারা গেছেন। বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের (বিএমএ) পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শুধু গত বছরের জুন মাসে মারা গেছেন ৪৫ জন চিকিৎসক। যার মধ্যে ৪ জুন একদিনেই ৫ জন চিকিৎসক মারা যান। যেটা ছিল একদিনে সর্বোচ্চসংখ্যক চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনা। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত বছরের ১৫ এপ্রিল মারা যান সিলেট এমজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. মঈন উদ্দিন আহমেদ; তিনিই দেশে প্রথম করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া চিকিৎসক। এছাড়া চলতি বছরে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে গত ৯ মার্চ থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত এক মাস ১৯ দিনে মারা গেছেন
স্ত্রীর লাশ সাইকেলে চাপিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি বৃদ্ধের, ‘শেষযাত্রা’র ছবি ভাইরাল

স্ত্রীর লাশ সাইকেলে চাপিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি বৃদ্ধের, ‘শেষযাত্রা’র ছবি ভাইরাল

  ভারতের উত্তরপ্রদেশের জৌনপুরে এক বৃদ্ধের করুণ ছবি ভেসে উঠল সোশ্যাল মিডিয়ায়। ওই বৃদ্ধের স্ত্রী সম্প্রতি হাসপাতালে মারা যান। করোনার ভয়ে গ্রামবাসীরা এলাকায় তার শেষকৃত্য করতে দেয়নি। বাধ্য হয়ে তাকে সাইকেলে করে কয়েক কিলোমিটার দূরে বয়ে নিয়ে যেতে হয় স্ত্রীর লাশ। এ ঘটনার দু’টি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। জানা গেছে, জৌনপুরে অম্বরপুর নামে এক এলাকার বাসিন্দা তিলকধারী সিংয়ের স্ত্রী রাজকুমারী (৫০) বেশ কিছু দিন ধরে রোগে ভুগছিলেন। সম্প্রতি তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উমানাথ সিং জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার সেখানে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর অ্যাম্বুলেন্সে করে তার লাশ গ্রামে পাঠায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গ্রামবাসীরা কেউ এগিয়ে আসেননি ওই নারীর শেষকৃত্যে সাহায্য করতে। উল্টা তারা বাধা দেন। তাদের মনে হয়েছিল ওই নারী করোনা আক্রান্ত ছিলেন। তাই তারা গ্রামের কাছে রাজকুমারীর শেষকৃত্যও সম
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে বজ্রপাতে ২ ভাই নিহত

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে বজ্রপাতে ২ ভাই নিহত

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় বজ্রপাতে দুই ভাই নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। বুধবার সকালে সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের মধুরাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন— একই এলাকার মৃত আবদুল মুনাফের ছেলে ফখরুল (৪৭) ও ফজলু (৪৫)। আহতরা হলেন— একই এলাকার সাজনুর, হাবিব হোসেন ওলাদেন। তাদের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। জানা যায়, সকালে সাড়ে ৮টার দিকে মধুরাপুর গ্রামের তলের বন হাওরে জমিতে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন দুই ভাই। গুরুতর আহত হন আরও তিনজন। সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ুব খান বজ্রপাতে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দিল্লির পার্ক খোলা মাঠ ও পার্কিংলটে অস্থায়ী শ্মশান

দিল্লির পার্ক খোলা মাঠ ও পার্কিংলটে অস্থায়ী শ্মশান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষের মৃত্যুতে ভারতের রাজধানী দিল্লি এখন এক আতঙ্কের নগরীতে পরিণত হয়েছে। সোমবারও দিল্লিতে সরকারি হিসাবে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩৮০। শহরের হাসপাতালগুলোতে জায়গা পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইসিইউ বেড খালি নেই। চরম সংকট চলছে অক্সিজেন ও প্রাণরক্ষাকারী ওষুধের। খবর বিবিসির। এর মধ্যে দেশজুড়ে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যু। সোমবারও ভারতে নতুন কোভিড সংক্রমণের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ২৩ হাজার ১৪৪। তার আগের দিনে ছিল ৩ লাখ ৫২ হাজার ৯৯১। যদিও ধারণা করা হচ্ছে— প্রকৃত সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বেশি। রাজধানী দিল্লির অবস্থা এতটাই সঙ্গীন যে খোলা মাঠ, পার্ক— এমনকি গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গাতেও অস্থায়ী শ্মশান তৈরির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কারণ যেসব সরকারি শ্মশান দিল্লিতে রয়েছে, তারা আর চাপ নিতে পারছে না। সরকার কোভিডে মৃত্যুর স
সুনামগঞ্জের ৭৫০ কর্মহীন পরিবার পেলো সরকারের উপহার।

সুনামগঞ্জের ৭৫০ কর্মহীন পরিবার পেলো সরকারের উপহার।

সুনামগঞ্জ পৌর এলাকার করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবজনিত কারণে ও চলমান লকডাউনের কারণে কর্মহীন ও অসহায় মানুষের মধ্যে ২৭ এপ্রিল সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জ ষ্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রথম দফায় সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৯  টি ওয়ার্ডের ৭৫০  টি কর্মহীন পরিবারের মধ্যে ১৫ কেজি চাল, ২কেজি ডাল, ২ কেজি আলু,এক কেজি পিয়াজ,এক কেজি লবন, এক লিটার তেল, চিড়া,মুড়ি,আটা,ও সাবান বিতরণ করা হয়। স্বাস্থ্য বিধি মেনে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বিপিএম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ইউএনও ইমরান শাহরিয়ার, এনডিসি মোহাম্মদ স
JS security