মুক্ত কলাম

সৎ,সাহসী,এক নির্ভীক জননেতার গল্প।

সৎ,সাহসী,এক নির্ভীক জননেতার গল্প।

    ছবি দেখেই বুঝা যায় দাবী আদায়ে কতটা আপোষহীন ছিলেন। পুলিশের শত নির্যাতন আর গুলির মুখে ও অটল দাডিয়ে থেকে যে মানুষটি পিছপা হন নি , এক গ্রাম থেকে উঠে এসে সমগ্র সিলেট বাসীকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, বিএনপির দু:সময়ে সিলেটে কানডারীর ভুমিকায় অবতীর্ন হয়েছিলেন তিনি আর কেউ নন আমাদের প্রিয় নেতা প্রিয় ভাই , মাটি ও মানুষের নেতা দিলদার হোসেন সেলিম। পুলিশের টানা হ্যাঁচড়ার মুখে যে ভাবে একজন সাবেক এমপি ই শুধু নন সিলেটের বিখ্যাত ক্রীড়া সংগঠককে অপমান করেছে তা সিলেটের রাজনৈতিক হতিহাসকে কলংকিত করেছে। ছবি দেখেই বুঝা যাচ্ছে একটা রাষ্ট্রের শাসকগোষঠী কতটুকু উলংগ হলে এই ধরনের বর্বর অসভ্য কাজ করতে পারে । অবশ্য এগুলা এখন নিত্য নৈমিততিক ব্যাপার হয়ে দাডিয়েছে। আসলে আমাদের দেশটা হয় গেছে রাষ্টীয় নির্যাতনের হাহাকারে ধ্বনিত একখন্ড বিরান ভূমি।বিচার কার কাছেই বা চাইবো! তারপরে ও সবকিছুর একটা শেষ আছ
পঁচিশ বছর বয়সী হালিমা একসঙ্গে ৯ সন্তান জন্ম দিলেন

পঁচিশ বছর বয়সী হালিমা একসঙ্গে ৯ সন্তান জন্ম দিলেন

হরহামেশায় শোনা যায় একসঙ্গে যমজ সন্তান জন্ম দেওয়ার খবর। তবে এবার ভিন্ন আরেকটি খবর শোনা গেল । একসঙ্গে ৯ সন্তান জন্ম দিয়েছেন এক নারী। চিকিৎসকরা আগে থেকেই ওই নারীর দুই শিশুর অস্তিত্ব বুঝতে পেরেছিলেন। বুধবার (৫ মে) পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এমন খবর প্রকাশ করা। এ ঘটনার পর ৯ সন্তান জন্ম দেওয়া নারীর হালিমা সিসে (২৫) আলোচনায় চলে আসেন। আর ৯ সন্তান জন্ম দিয়ে ননুপ্লেটস অন্তর্ভুক্ত নারী হিসেবে বিরল দৃষ্টান্ত গড়লেন তিনি। এ বিষয়টি দেশটির নেতারাও বেশ গুরত্ব সরকারে দেখেন। চলতি বছরের মার্চে চিকিৎসকরা জানান, হালিমার বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। তখন দেশটির পরিবর্তনকামী নেতা বাহ এনদাও তাকে মরক্কো পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তিনি মরক্কো আসলে সেখানে মঙ্গলবার (৪ মে) সিজার করে পাঁচ কন্যা ও চার ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। মাল
ডিম না পাড়ায় মুরগি নিয়ে থানায় অভিযোগ

ডিম না পাড়ায় মুরগি নিয়ে থানায় অভিযোগ

শুধু যে চুরি, ডাকাতি অথবা খুন ধর্ষণের অভিযোগ জানাতে মানুষ থানায় যায় তা কিন্তু নয়। পুলিশকে নিষ্পত্তি করতে হয় অনেক অদ্ভুত অদ্ভুত অভিযোগেরও। যেমন ভারতের মহারাষ্ট্রে নিজের পালিত মুরগি নিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে হাজির হয়েছেন এক মালিক। অভিযোগ, তার মুরগি ডিম দিচ্ছে না! ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন শুক্রবার (২২ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের পুনের। সম্প্রতি এক পোলট্রি ফার্মের মালিক পুলিশে কাছে গিয়ে অভিযোগ জানান, একটি বিশেষ সংস্থার তৈরি খাবার খাওয়ার পর থেকেই তার সব মুরগি ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে লোনি কালভোর পুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ রাজেন্দ্র মোকাশি বলেন, আমরা অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে দেখছি। তিনি একা নন, আরও অন্তত চারজন একই অভিযোগ নিয়ে এসেছেন আমাদের কাছে। প্রত্যেকেই বলেছেন, ওই সংস্থাটির খাবার খেয়েই তাদের মুরগি ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি আরও ব
উত্তাল মার্চ- সাবেক সাংসদ নজির হোসেনের ফেইসবুক থেকে

উত্তাল মার্চ- সাবেক সাংসদ নজির হোসেনের ফেইসবুক থেকে

উত্তাল মার্চ (৭)   ২৮শে মার্চ কার্ফু ভংগ এবং যুদ্ধ শুরু তখন সুনামগঞ্জ কলেজে ছাত্র ইউনিয়ন(মতিয়া) গ্রুপের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন জনাব হুমায়ূন কবীর চৌধুরী৷ তিনি কমিউনিস্ট পার্টির গ্রুপ সদস্য ছিলেন৷ নিবেদিত বিপ্লবী৷ পার্টির প্রতি তিনি ছিলেন একান্ত অনুগত৷ এ হিসেবে আমার সাথে ছিল তাঁর গভীর সম্পর্ক৷ ছাত্র রাজনীতি নিয়ন্ত্রনে আমরা শহীদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবীর চৌধুরী, সুদীপ্ত দাশের উপর নির্ভর করতাম৷ জনাব শহীদ চৌধুরী ৬৭ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সুনামগঞ্জ মহকুমার জেলার সম্পাদক ৬৮ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন৷ ৬৯ সালে দিরাই নিবাসী শহীদ চৌধুরী এবং ৭০ সালে বড়পাড়া নিবাসী হুমায়ূন কবীর চৌধুরী কলেজ সংসদের ভিপি নির্বচিত হন৷ ১৯৬৫ সাল থেকেই সুনামগঞ্জ কলেজ সংসদে সকল পদে ছাত্রইউনিয়ন প্রার্থীরা নির্বাচিত হতেন৷ ১৯৭০সালে ছাত্রইউনিয়ন মহকুমা কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক ছিলেন হুমায়ূন কবীর চৌধুরী ও সাইফুর রহমান সামছু৷

ব্রিটেনে ভালো নেই বাংলাদেশিরা

  মুনজের আহমদ চৌধুরী, যুক্তরাজ্য  ব্রিটে‌নে বেকারত্ব গত পাঁচ বছ‌রের ম‌ধ্যে এখন সর্বোচ্চ পর্যা‌য়ে পৌঁছেছে। ব্রিটিশ চ্যা‌ন্সেলর রি‌শি সুনাক শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ব‌লে‌ছেন, চল‌তি অর্থবছ‌রে সরকার ২৭১ বি‌লিয়ন পাউন্ড ঋণ করে‌ছে। সঙ্গত কারণেই ভালো নেই সেখানে থাকা বাংলাদেশিরাও। কমিউনিটির লক্ষাধিক মানুষ গত ক‌য়েক মাস ধ‌রেই বেকারত্বের মধ্যে আছেন। অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদেরকে। কোভিড-১৯ বিধি-নিষেধ এবং লকডাউনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রি। বিশেষ করে বাংলাদেশিদের কারি শিল্পে বেশি প্রভাব ফেলেছে। রেস্তোরাঁগুলোতে কর্মসংস্থানের মারাত্মক পতন ঘটেছে। রেস্তোরাঁ, আবাসিক হোটেল, এবং সুপার মার্কেটসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে যাদের কাজ চলে গেছে, করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও তাদের কাজে ফেরাটা খুব সহজ হচ্ছে না। মৌলভীবাজার ইউকে’র সমন্বয়ক তাজুল

ফিনল্যান্ডে মুসলমানদের জীবন-জীবিকা

পূর্ব ইউরোপের অন্যতম রাজনৈতিক স্থিতিশীল ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ দেশ ফিনল্যান্ড। এ দেশে ক্রমে মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজারে। তাদের মধ্যে বেশির ভাগ অভিবাসী হলেও ‘ভূমিপুত্র’দের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। ১৮৭০ থেকে ১৯২০ সালের মধ্যে তাতার মুসলিম জনগোষ্ঠী প্রথম সৈনিক ও ব্যবসায়ী হিসেবে ফিনল্যান্ডে আগমন করেছিল। পরবর্তীতে উত্তর আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া ও সাবেক যুগোস্লাভিয়া থেকে মুসলমানরা এখানে এসে আলাদা কমিউনিটি গড়ে তোলেন। সংখ্যায় কম হলেও মুসলমানদের শিকড় এ দেশের গভীরে প্রোথিত। মুসলমানদের দৈনন্দিন জীবনাচার, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, সামাজিক বন্ধন ও ধর্মীয় ঐতিহ্যে মুগ্ধ হয়ে স্থানীয় বহু লোক ইসলাম কবুল করেন। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সাম্প্রতিককালে প্রতি বছরে ইসলাম গ্রহণকারীর সংখ্যা গড়ে এক হাজার, যাদের মধ্যে মহিলার সংখ্যা বেশি। পরে তারা মুসলমান ছেলেদের ব

যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ !

সায়েক এম রহমান এক আজ লিখছি বাংলাদেশের ইতিহাসে দু-টি অক্ষরের একটি কালজয়ী নামের কথা! যে নামটি হলো ” জিয়া “! যার মাত্র চার, সাড়ে চার বছরের শাসন আমলের সুখ্যাতি ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে সমগ্র বিশ্ব জুড়ে। যার নাম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শত সহস্রাধিক স্থাপনায় লিখে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে ধারণ করে আছে জিয়াকে। যিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তি যোদ্ধা, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, মুজিব প্রদত্ত বীর উত্তম, গণতন্ত্রের প্রবর্তক, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্টাতা ও বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। পাঠক ইতিহাস বলে দেয়, ৭৫ এর ১৫ আগষ্টের বেদনাদায়ক ঘটনাবলীর মাধ্যমে দেশে সামরিক তন্ত্র প্রতিষ্টিত হয়, কিন্তু প্রবল ভাবে ইতিহাস সাক্ষী তখন খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে সামরিক তন্ত্র চালু হলেও, প্রসিডেন্ট জিয়া সেই দিন সামরিক তন্ত্রের
ষ্টেটাস ২৯ করোনা জেল থেকে বলছি – নজির হোসেন সাবেক সংসদ সদস্য সুনামগঞ্জ-১

ষ্টেটাস ২৯ করোনা জেল থেকে বলছি – নজির হোসেন সাবেক সংসদ সদস্য সুনামগঞ্জ-১

তারিখ ১০ /০৯/২০২০ হরিনগরে প্রশিক্ষন কর্মসূচীটি আমাদের বিপ্লবী জীবনে অনেক অবদান রেখেছিল ৷হরিনগরের মিটিং এ অনেক ঘুরুত্বপূর্ন সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ৷কৃষক সমিতি ও ন্যাপকে শক্তিশালী করতে আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় ৷ আমার এইচ এমপি হাইস্কুলে চাকুরী গ্রহনের পর আমি মাধ্যমিক শিক্ষকদের একটি শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলার প্রতি মনোনিবেশ করি ৷সহকারী হেডমাষ্টার রাখাল দা ও সংস্কৃতের মাষ্টার গৌরাংঙ্গবাবু আমাকে উৎসাহ এবং আন্তরিক সহযোগীতা প্রদান করেন ৷বন্ধ ও ছুটির দিনে সারা মহকুমায় ঘুরে ঘুরে একটি শক্তিশালী সংগঠন দাড় করিয়ে ফেলি ৷বুলচান্দ হাইস্কুলের হেডমাষ্টার অশ্বিনীবাবুকে সভাপতি আমাকে সম্পাদক করে মাধ্যমিক স্কুল সমূহের একটিশক্তিশালী সংগঠন দাড়িয়ে যায় ৷ অশ্বিনী বাবু ছিলেন খুব মেঝাঝী মানুষ ৷অনেকে ভয়ে উনার সাথে মিশতে চাইতো না ৷রাখালদা বল্লো নজির তুমি যদি অশ্বিনী বাবুকে ম্যানেজ করতে পার তবে বুঝবো তুমি বেসরকারী শিক
মানুষকে সদাসর্বদাই আপন করে নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করা প্রয়োজন 

মানুষকে সদাসর্বদাই আপন করে নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করা প্রয়োজন 

নজরুল ইসলাম তোফা:: মানুষের জীবন সার্থকতা পায় মনুষ্যত্ব অর্জন করে। শিক্ষা বা সাধনার মাধ্যমে বিবেক, বুদ্ধি কিংবা মনন শক্তি জাগ্রত করে মানুষ প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠে। এ পৃথিবীতে তরুলতা, বৃক্ষ, পশুপাখির মতো মানুষও প্রকৃতির সৃষ্টি। সুতরাং,- প্রকৃতির অন্যান্য সৃষ্টির চেয়ে বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে মানুষ একেবারেই আলাদা। একটু ইতিহাসের আলোকেই বলা দরকার হয় যে মানুষ সমাজ গঠন করে অনেক আগে থেকেই, তাদের সভ্যতা কিংবা জাতি গঠনের নানা কাজ শুরু হয়ে ছিল: প্রাচীন, প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকেই। বন-জঙ্গল কিংবা পাহাড়ের পাদদেশে বা নদী তীর সহ বিভিন্ন গুহায় সেসব মানুষের অবস্থান ছিল। জীবন জীবিকার কারণে, হিংস্র পশুদের সঙ্গেই ছিল মানুষের বসবাস। আত্ম রক্ষার কারণে যেন তাদের হিংস্র পশুদের সঙ্গে যুদ্ধ করে জীবনকে কাটাতে হয়েছিল। সেই সময়েই অস্ত্র ছিল লাঠি ও বড় বড় পাথর আর তাদের ছিল- অনেক "মানবিক বুদ্ধি কিংবা দৈহিক শক্তি" যা আজকের বর্তম
সাবেক মন্ত্রীর সেই বাড়ী এবং এক দুঃখ জাগানিয়া কাহিনী

সাবেক মন্ত্রীর সেই বাড়ী এবং এক দুঃখ জাগানিয়া কাহিনী

ফজলুল বারী, সিডনী, অস্ট্রেলিয়াঃ- সরকারের সাবেক একজন মন্ত্রী। এক সময় বিদেশে ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে কোন করাপশনের অভিযোগ নেই। পড়াশুনা করা লোক। লেখালেখিও করেন। জাতীয়-আন্তর্জাতিক সংস্থার পদে ছিলেন বিদেশে। তখন শেষ জীবনে থাকার জন্যে ঢাকার বনানীতে একটা বাড়ি কেনেন। ওপরে নীচে দশ বারোটি রূম। অনেক দিন ধরে বাড়িটি নিজের মতো করে সাজাচ্ছিলেন। বিদেশে থাকা স্বত্ত্বেও বাড়িটি কখনও তিনি ভাড়া দেননি। যখন মন্ত্রী হলেন তখন থাকতেন সরকারি বাংলোয়। ওই সময় বাড়িটায় থাকতেন তাঁর ছেলে শাহেদ। কিন্তু সরকারি ক্ষমতার বাইরে যাওয়ায় পর এই সাবেক দাপুটে মন্ত্রী পড়লেন ভিন্ন এক সমস্যায়। যে সমস্যা তিনি বাইরে কারও সঙ্গে শেয়ার করতেও পারেননা। কারন সমস্যা তাঁর ছেলে শাহেদ। বাবা মন্ত্রী থাকতে বাবা’র নাম ভাঙ্গিয়ে নানাকিছু করেছে। কিন্তু এখন বাবার মন্ত্রিত্ব নাই দেখে সে বাবাকে অচ্ছুত ক্ষমতাহীন ভাবতেও শুরু করে দেয়! বাবাকে তাঁর নিজের বাড়িত
JS security