মুক্ত কলাম

ব্রিটেনে ভালো নেই বাংলাদেশিরা

  মুনজের আহমদ চৌধুরী, যুক্তরাজ্য  ব্রিটে‌নে বেকারত্ব গত পাঁচ বছ‌রের ম‌ধ্যে এখন সর্বোচ্চ পর্যা‌য়ে পৌঁছেছে। ব্রিটিশ চ্যা‌ন্সেলর রি‌শি সুনাক শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ব‌লে‌ছেন, চল‌তি অর্থবছ‌রে সরকার ২৭১ বি‌লিয়ন পাউন্ড ঋণ করে‌ছে। সঙ্গত কারণেই ভালো নেই সেখানে থাকা বাংলাদেশিরাও। কমিউনিটির লক্ষাধিক মানুষ গত ক‌য়েক মাস ধ‌রেই বেকারত্বের মধ্যে আছেন। অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদেরকে। কোভিড-১৯ বিধি-নিষেধ এবং লকডাউনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রি। বিশেষ করে বাংলাদেশিদের কারি শিল্পে বেশি প্রভাব ফেলেছে। রেস্তোরাঁগুলোতে কর্মসংস্থানের মারাত্মক পতন ঘটেছে। রেস্তোরাঁ, আবাসিক হোটেল, এবং সুপার মার্কেটসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে যাদের কাজ চলে গেছে, করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও তাদের কাজে ফেরাটা খুব সহজ হচ্ছে না। মৌলভীবাজার ইউকে’র সমন্বয়ক তাজুল

ফিনল্যান্ডে মুসলমানদের জীবন-জীবিকা

পূর্ব ইউরোপের অন্যতম রাজনৈতিক স্থিতিশীল ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ দেশ ফিনল্যান্ড। এ দেশে ক্রমে মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজারে। তাদের মধ্যে বেশির ভাগ অভিবাসী হলেও ‘ভূমিপুত্র’দের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। ১৮৭০ থেকে ১৯২০ সালের মধ্যে তাতার মুসলিম জনগোষ্ঠী প্রথম সৈনিক ও ব্যবসায়ী হিসেবে ফিনল্যান্ডে আগমন করেছিল। পরবর্তীতে উত্তর আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া ও সাবেক যুগোস্লাভিয়া থেকে মুসলমানরা এখানে এসে আলাদা কমিউনিটি গড়ে তোলেন। সংখ্যায় কম হলেও মুসলমানদের শিকড় এ দেশের গভীরে প্রোথিত। মুসলমানদের দৈনন্দিন জীবনাচার, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, সামাজিক বন্ধন ও ধর্মীয় ঐতিহ্যে মুগ্ধ হয়ে স্থানীয় বহু লোক ইসলাম কবুল করেন। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সাম্প্রতিককালে প্রতি বছরে ইসলাম গ্রহণকারীর সংখ্যা গড়ে এক হাজার, যাদের মধ্যে মহিলার সংখ্যা বেশি। পরে তারা মুসলমান ছেলেদের ব

যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ !

সায়েক এম রহমান এক আজ লিখছি বাংলাদেশের ইতিহাসে দু-টি অক্ষরের একটি কালজয়ী নামের কথা! যে নামটি হলো ” জিয়া “! যার মাত্র চার, সাড়ে চার বছরের শাসন আমলের সুখ্যাতি ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে সমগ্র বিশ্ব জুড়ে। যার নাম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শত সহস্রাধিক স্থাপনায় লিখে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে ধারণ করে আছে জিয়াকে। যিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তি যোদ্ধা, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, মুজিব প্রদত্ত বীর উত্তম, গণতন্ত্রের প্রবর্তক, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্টাতা ও বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। পাঠক ইতিহাস বলে দেয়, ৭৫ এর ১৫ আগষ্টের বেদনাদায়ক ঘটনাবলীর মাধ্যমে দেশে সামরিক তন্ত্র প্রতিষ্টিত হয়, কিন্তু প্রবল ভাবে ইতিহাস সাক্ষী তখন খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে সামরিক তন্ত্র চালু হলেও, প্রসিডেন্ট জিয়া সেই দিন সামরিক তন্ত্রের
ষ্টেটাস ২৯ করোনা জেল থেকে বলছি – নজির হোসেন সাবেক সংসদ সদস্য সুনামগঞ্জ-১

ষ্টেটাস ২৯ করোনা জেল থেকে বলছি – নজির হোসেন সাবেক সংসদ সদস্য সুনামগঞ্জ-১

তারিখ ১০ /০৯/২০২০ হরিনগরে প্রশিক্ষন কর্মসূচীটি আমাদের বিপ্লবী জীবনে অনেক অবদান রেখেছিল ৷হরিনগরের মিটিং এ অনেক ঘুরুত্বপূর্ন সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ৷কৃষক সমিতি ও ন্যাপকে শক্তিশালী করতে আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় ৷ আমার এইচ এমপি হাইস্কুলে চাকুরী গ্রহনের পর আমি মাধ্যমিক শিক্ষকদের একটি শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলার প্রতি মনোনিবেশ করি ৷সহকারী হেডমাষ্টার রাখাল দা ও সংস্কৃতের মাষ্টার গৌরাংঙ্গবাবু আমাকে উৎসাহ এবং আন্তরিক সহযোগীতা প্রদান করেন ৷বন্ধ ও ছুটির দিনে সারা মহকুমায় ঘুরে ঘুরে একটি শক্তিশালী সংগঠন দাড় করিয়ে ফেলি ৷বুলচান্দ হাইস্কুলের হেডমাষ্টার অশ্বিনীবাবুকে সভাপতি আমাকে সম্পাদক করে মাধ্যমিক স্কুল সমূহের একটিশক্তিশালী সংগঠন দাড়িয়ে যায় ৷ অশ্বিনী বাবু ছিলেন খুব মেঝাঝী মানুষ ৷অনেকে ভয়ে উনার সাথে মিশতে চাইতো না ৷রাখালদা বল্লো নজির তুমি যদি অশ্বিনী বাবুকে ম্যানেজ করতে পার তবে বুঝবো তুমি বেসরকারী শিক
মানুষকে সদাসর্বদাই আপন করে নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করা প্রয়োজন 

মানুষকে সদাসর্বদাই আপন করে নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করা প্রয়োজন 

নজরুল ইসলাম তোফা:: মানুষের জীবন সার্থকতা পায় মনুষ্যত্ব অর্জন করে। শিক্ষা বা সাধনার মাধ্যমে বিবেক, বুদ্ধি কিংবা মনন শক্তি জাগ্রত করে মানুষ প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠে। এ পৃথিবীতে তরুলতা, বৃক্ষ, পশুপাখির মতো মানুষও প্রকৃতির সৃষ্টি। সুতরাং,- প্রকৃতির অন্যান্য সৃষ্টির চেয়ে বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে মানুষ একেবারেই আলাদা। একটু ইতিহাসের আলোকেই বলা দরকার হয় যে মানুষ সমাজ গঠন করে অনেক আগে থেকেই, তাদের সভ্যতা কিংবা জাতি গঠনের নানা কাজ শুরু হয়ে ছিল: প্রাচীন, প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকেই। বন-জঙ্গল কিংবা পাহাড়ের পাদদেশে বা নদী তীর সহ বিভিন্ন গুহায় সেসব মানুষের অবস্থান ছিল। জীবন জীবিকার কারণে, হিংস্র পশুদের সঙ্গেই ছিল মানুষের বসবাস। আত্ম রক্ষার কারণে যেন তাদের হিংস্র পশুদের সঙ্গে যুদ্ধ করে জীবনকে কাটাতে হয়েছিল। সেই সময়েই অস্ত্র ছিল লাঠি ও বড় বড় পাথর আর তাদের ছিল- অনেক "মানবিক বুদ্ধি কিংবা দৈহিক শক্তি" যা আজকের বর্তম
সাবেক মন্ত্রীর সেই বাড়ী এবং এক দুঃখ জাগানিয়া কাহিনী

সাবেক মন্ত্রীর সেই বাড়ী এবং এক দুঃখ জাগানিয়া কাহিনী

ফজলুল বারী, সিডনী, অস্ট্রেলিয়াঃ- সরকারের সাবেক একজন মন্ত্রী। এক সময় বিদেশে ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে কোন করাপশনের অভিযোগ নেই। পড়াশুনা করা লোক। লেখালেখিও করেন। জাতীয়-আন্তর্জাতিক সংস্থার পদে ছিলেন বিদেশে। তখন শেষ জীবনে থাকার জন্যে ঢাকার বনানীতে একটা বাড়ি কেনেন। ওপরে নীচে দশ বারোটি রূম। অনেক দিন ধরে বাড়িটি নিজের মতো করে সাজাচ্ছিলেন। বিদেশে থাকা স্বত্ত্বেও বাড়িটি কখনও তিনি ভাড়া দেননি। যখন মন্ত্রী হলেন তখন থাকতেন সরকারি বাংলোয়। ওই সময় বাড়িটায় থাকতেন তাঁর ছেলে শাহেদ। কিন্তু সরকারি ক্ষমতার বাইরে যাওয়ায় পর এই সাবেক দাপুটে মন্ত্রী পড়লেন ভিন্ন এক সমস্যায়। যে সমস্যা তিনি বাইরে কারও সঙ্গে শেয়ার করতেও পারেননা। কারন সমস্যা তাঁর ছেলে শাহেদ। বাবা মন্ত্রী থাকতে বাবা’র নাম ভাঙ্গিয়ে নানাকিছু করেছে। কিন্তু এখন বাবার মন্ত্রিত্ব নাই দেখে সে বাবাকে অচ্ছুত ক্ষমতাহীন ভাবতেও শুরু করে দেয়! বাবাকে তাঁর নিজের বাড়িত
মানুষকে সদাসর্বদাই আপন করে দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করা প্রয়োজন 

মানুষকে সদাসর্বদাই আপন করে দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করা প্রয়োজন 

নজরুল ইসলাম তোফা:: মানুষের জীবন সার্থকতা পায় মনুষ্যত্ব অর্জন করে। শিক্ষা বা সাধনার মাধ্যমে বিবেক, বুদ্ধি কিংবা মনন শক্তি জাগ্রত করে মানুষ প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠে। এ পৃথিবীতে তরুলতা, বৃক্ষ, পশুপাখির মতো মানুষও প্রকৃতির সৃষ্টি। সুতরাং,- প্রকৃতির অন্যান্য সৃষ্টির চেয়ে বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে মানুষ একেবারেই আলাদা। একটু ইতিহাসের আলোকেই বলা দরকার হয় যে মানুষ সমাজ গঠন করে অনেক আগে থেকেই, তাদের সভ্যতা কিংবা জাতি গঠনের নানা কাজ শুরু হয়ে ছিল: প্রাচীন, প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকেই। বন-জঙ্গল কিংবা পাহাড়ের পাদদেশে বা নদী তীর সহ বিভিন্ন গুহায় সেসব মানুষের অবস্থান ছিল। জীবন জীবিকার কারণে, হিংস্র পশুদের সঙ্গেই ছিল মানুষের বসবাস। আত্ম রক্ষার কারণে যেন তাদের হিংস্র পশুদের সঙ্গে যুদ্ধ করে জীবনকে কাটাতে হয়েছিল। সেই সময়েই অস্ত্র ছিল লাঠি ও বড় বড় পাথর আর তাদের ছিল- অনেক "মানবিক বুদ্ধি কিংবা দৈহিক শক্তি" যা আজকের বর্তম
সরকারের লকডাউনে জনপ্রতিনিধিরাই দরিদ্র মানুষের খাদ্য ভোগ করছে  

সরকারের লকডাউনে জনপ্রতিনিধিরাই দরিদ্র মানুষের খাদ্য ভোগ করছে  

নজরুল ইসলাম তোফা:: অর্থ বা সম্পদ মানব জীবনের জন্যে অপরিহার্য হলেও অর্থ কিংবা সম্পদের যথাযোগ্য ব্যবহার নাহলে তা যেন ব্যক্তি এবং সমাজ জীবনে নেমে আসে অকল্যাণ। জানা কথা হলো, সুশীল সমাজ গঠনে প্রয়াসী মানুষ ব্যক্তি ও সমাজজীবনের বৃহত্তর কল্যাণ ও সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার করার জন্যই গড়ে তুলা হয়েছে 'রাষ্ট্রীয় অনুশাসন এবং অনুকরণীয় ন্যায়-নীতি'। কিন্তু সমাজ জীবনে এমন কিছু লোক থাকে যারা এসব অনুশাসন কিংবা ন্যায়নীতি মান্য করেনা। তারা অন্যকে উৎপীড়ন করে, অন্যের অধিকারেও যেন তারাই অন্যায় হস্তক্ষেপ করে, তারা উচ্ছৃঙ্খল আচরণে যেন সামাজিক শৃঙ্খলাকে নস্যাৎ করে, সামাজিক স্বার্থ বিরোধী অন্যায় কিংবা অবৈধ কর্মতৎপরতায় লিপ্ত হয়। এরাই সমাজের চোখে অন্যায়কারী ও আইনের চোখেও অপরাধী বলেই বিবেচিত হয়। এদের অপরাধ অবশ্যই দণ্ডনীয়। সুতরাং, বিবেকবান মানুষকে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু এই বিবেক বান মানুষ অন্যায়ের প্রতিবাদ ক
আমার স্ত্রী প্রাইমারি স্কুলের টিচার, একদিন রাতে ডিনারের শেষে !

আমার স্ত্রী প্রাইমারি স্কুলের টিচার, একদিন রাতে ডিনারের শেষে !

ফেসবুক থেকে নেওয়া :- আমার স্ত্রী প্রাইমারি স্কুলের টিচার। একদিন রাতে ডিনারের শেষে আমার স্ত্রী ক্লাস ওয়ানের খাতা দেখছিলো। খাতা দেখতে দেখতে আমার মিসেসের চোখ দুটো ছলছল করে করে উঠেছে।আমি কাছেই বসে টিভি দেখছিলাম। মিসেসের দিকে নজর যাওয়াতে দেখি আমার স্ত্রী চোখের জল মুছছে। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে কাঁদছো কেনো!!! আমার মিসেস বললো.. ক্লাস ওয়ানের পরীক্ষায় এক রচনা এসেছে। “my wish”–তো কাঁদার কি হলো!!–সব খাতা গুলো দেখলাম। সবাই ভালো লিখেছে। –তো?–একজনের খাতা দেখে আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। চোখ দুটো জলে ভরে উঠলো।–আচ্ছা বলো কি লিখেছে ওই বেবি।মিসেস রচনা পড়তে শুরু করলো…..আমার ইচ্ছা আমি স্মার্টফোন হবো। আমার বাবা মা স্মার্টফোন খুব ভালোবাসে। কিন্তু আমায় ভালোবাসে না।যেখানে যায় আমার বাবা তার স্মার্টফোন সঙ্গে করে নিয়ে যায়। কিন্তু আমায় সঙ্গে করে নিয়ে যায় না।ফোন এলে আমার মা তাড়াতাড়ি গি
মাওলানা সৈয়দ আব্দুল আউয়াল বড়হুজুর সত্যই একজন বড় মানুষ ছিলেন! ————সৈয়দ মবনু

মাওলানা সৈয়দ আব্দুল আউয়াল বড়হুজুর সত্যই একজন বড় মানুষ ছিলেন! ————সৈয়দ মবনু

লেখক সৈয়দ মবনু:-  আমাদের গ্রামের বাড়ি সৈয়দপুর অনেকদিন পর যাওয়া হলো। উপলক্ষ ছিলো মাওলানা সৈয়দ আব্দুল আউয়াল বড়হুজুরের জানাজা। ৫ জুন ২০২০ খ্রিস্টাব্দ শুক্রবার তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এইদিনই বিকাল সাড়ে পাঁচটায় সৈয়দপুর হাফিজিয়া হোসাইনিয়া আরবিয়া টাইটেল মাদাসা সংলগ্ন ঈদগাহে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আমি আর আমার চাচাতো ভাই হাফিজ সৈয়দ তসলিম আহমদ এক সাথে বিকাল তিনটায় জানাজার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে রেব হই এবং আসরের নামাজের সময় গিয়ে সৈয়দপুর পৌঁছি। এখনও ভবের বাজার রোড সুস্থ্য হয়নি বলে গোয়ালাবাজার রোড দিয়ে যেতে হয়। গোয়ালাবাজার রোডও খুব ভালো তা বলা যাবে না। করোনার লকডাউনের কারণে অনেক মানুষই জানাজায় যাননি। এরপরও ঈদগাহ ভর্তি মানুষ ছিলেন। তিনি আমার শিক্ষক ছাড়াও খুব ঘণিষ্ট আত্মীয়। আত্মীয়তা তো সৈয়দপুরে আমরা সবাই সবার। তাই সৈয়দপুরের মূল আত্মীয়তা হয়ে থাকে যাওয়া-আসা, খোঁজ-খবর রাখা এবং পারিবারিক অনুষ্ঠানাদিতে
JS security