হবিগঞ্জ

সিলেটে একদিনে ১৪ মৃত্যুর রেকর্ড, নতুন করে শনাক্ত ৫৬৪

সিলেটে একদিনে ১৪ মৃত্যুর রেকর্ড, নতুন করে শনাক্ত ৫৬৪

  সিলেটে বেড়েই চলেছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। শেষ ২৪ ঘন্টায় বিভাগে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা সিলেটে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা। এসময় বিভাগটিতে নতুন করে আরও ৫৬৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে সিলেটে শনাক্ত ছাড়াল ৩৬ হাজার। আজ সোমবার (২৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. সুলতানা রাজিয়া গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  তিনি জানান, সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘন্টায় ১ হাজার ৩৪৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। মোট টেস্টের ৪২.০০ শতাংশই করোনা আক্রান্ত। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৪১.৮৫ শতাংশ, সুনামগঞ্জে ৪৪.৫৮ শতাংশ, হবিগঞ্জে ৪৩.৭১ শতাংশ এবং মৌলভীবাজারের ৩৫.৬৩ শতাংশ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ৫৬৪ জন রোগীর মধ্যে ২৪৯ জনই সিলেট জেলার বাসিন্দা। বাকিদের মধ্যে সুনামগঞ্জের ১০৭ জন, হবিগঞ্জের ১৪৬ এবং ৬২ জন
হাবিবা ম্যাডামের পরিবারে  শুধুই কান্না

হাবিবা ম্যাডামের পরিবারে শুধুই কান্না

বড় ভাইয়ের লাশ দেখা নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন হাবিবা আক্তার শিল্পি ও তার পরিবার। কিন্তু ভাই তো ভাই-ই। শেষ পর্যন্ত সব শঙ্কা-ভয় দূরে ঠেলে যতটা সম্ভব স্বাস্থ্যনির্দেশনা মেনে করোনায় মারা যাওয়া বড় ভাইকে শেষ বিদায় জানান। কিন্তু আট মাসের ব্যবধানে আজ হাবিবাকেই কেড়ে নিলো প্রাণঘাতী মহামারি। ২০শে জুলাই সন্ধ্যায় সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অবশ্য ১০ দিন আগে আইসিইউতে হাবিবা যখন শ্বাসযন্ত্রণায় নিদারুণ কষ্টে সেই সময়ে দুনিয়া ছেড়ে যান তার অতি আদরের ছোট ভাই। মৃত্যুর আগে বোনকে দেখার আকুতি ছিল ভাইয়ের। কিন্তু মরণব্যাধি কোভিড-১৯ তাদের দু’জনের মাঝে দুর্ভেদ্য প্রাচীর তৈরি করে ফেলে। ভাই-বোনের সাক্ষাৎ অধরাই থেকে যায়! বলছি করোনায় পরপর তিন সদস্যকে হারানো সিলেটের একটি পরিবারের কথা। যে পরিবারের প্রতিটি মানুষ আপন আলোয় উজ্জ্বল। করোনায় মারা যাওয়া ওই পরিবারের প্রথম ব্যক্তি 'বড় ভাই' মোজতবা
সিলেটে ফের রেকর্ড ৮ জনের মৃত্যু: নতুন শনাক্ত ২৫৩ জন

সিলেটে ফের রেকর্ড ৮ জনের মৃত্যু: নতুন শনাক্ত ২৫৩ জন

সিলেটে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে আরও ৮ জনের । একই সময়ে সিলেট বিভাগে ২৫৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। আর আগে গত ৮ এপ্রিলের পর ফের ভাইরাসটিতে ৮ জনের মৃত্যু একদিনে দেখল সিলেট। যা বিভাগে একদিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু। আজ সোমবার (৫জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. সুলতানা রাজিয়া গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ২৫৩ জন রোগীর মধ্যে ১১৭ জনই সিলেট জেলার বাসিন্দা। বাকিদের মধ্যে সুনামগঞ্জের ২১ জন, হবিগঞ্জের ৫৪ জন এবং মৌলভীবাজারের ৬১ জন রয়েছেন।  গত ২৪ ঘন্টায় সিলেটে ১০৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সুস্থদের মধ্যে ৮৫ জন সিলেট জেলার, হবিগঞ্জের ৬ এবং ১৪ জন মৌলভীবাজার জেলার বাসিন্দা। সূত্র জানায়, সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২
এমপি আবু জাহিরকে বিএসএমএমইউতে স্থানান্তর, স্ত্রীও আক্রান্ত

এমপি আবু জাহিরকে বিএসএমএমইউতে স্থানান্তর, স্ত্রীও আক্রান্ত

  করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহিরকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে। নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন সংসদ সদস্যের স্ত্রী হবিগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলেয়া আক্তার। আলেয়া আক্তার আগের দিন নমুনা দিলে শনিবার (৩ জুলাই) তিনি আক্রান্ত হয়েছেন বলে জাতীয় সংসদ থেকে জানানো হয়। তিনি ন্যাম ভবনের বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন। আক্রান্তের বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন এবং সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। অন্যদিকে শনিবার দুপুরে এমপি আবু জাহিরকে ন্যাম ভবন থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিআইপি কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ভ্যাকসিনের দুই ডোজ নেওয়ার পরও গত শুক্রবার দ্বিতীয়বার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন এমপি আবু জাহির। এদিকে এমপি আবু জাহির ও তার স্ত্রীর সুস্থতা কামনায়
ভূমিকম্পে বদলে যেতে পারে সিলেটের মানচিত্র

ভূমিকম্পে বদলে যেতে পারে সিলেটের মানচিত্র

ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল সিলেট। ফলে এখানে ভূমিকম্প নিয়ে আতঙ্ক রয়েছে। গত ৯ দিনের ব্যবধানে ৮ দফা ভূমিকম্প এই আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তবে আতঙ্ক থাকলেও নেই সচেতনতা। সিলেটে কোনো নিয়ম নীতির না মেনেই গড়ে উঠছে একের পর এক বহুতল ভবন। মানা হচ্ছে না বিল্ডিং কোড। জলাশয় ভরাট- টিলা কাটা চলছে অহরহ। ফলে এই অঞ্চলে বড় ভূমিকম্প হলে ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি বেড়েই চলছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি ছোট ছোট ভূমিকম্পের কারণে বড় ধরণের ভূমিকম্পের শঙ্কার কথাও প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তিন বছর আগের এক জরিপে দেখা গেছে, সিলেটে এক লাখ বহুতল ভবন রয়েছে। এসব ভবনের ৭৫ শতাংশ ছয়তলা বা তার চেয়ে বেশি। তবে সিলেট সিটি করপোরেশনের হিসাবে হোল্ডিংই আছে ৭০ হাজার। বিশেষজ্ঞদের মতে, সিলেটে রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হলে এ অঞ্চলের প্রায় ৮০ ভাগ স্থাপনা ধসে পড়তে পারে। এতে প্রাণ হ
সাংবাদিক লিটনের ‘আত্মহত্যা’

সাংবাদিক লিটনের ‘আত্মহত্যা’

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানাধীন গঙ্গানগর চক গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে নিজামুল হক লিটন নাম এক সাংবাদিকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৪ জুন) সকালে মোগলাবাজার থানা পুলিশ লিটনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে নিজ বসতকক্ষে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে নিহতের পরিবার জানায়। পুলিশেরও ধারণা  নিজামুল হক লিটন আত্মহত্যা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুদ্দোহা পিপিএম জানান,  ধারণা করা হচ্ছে সাংবাদিক লিটন আত্মহত্যা করেছেন। তবুও পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে,  বৃহস্পতিবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই যার যার ঘরে চলে যাই। রাত ৩টার দিকে নিজাম
দিনে তারা ছাত্রলীগ নেতা, রাতে ছিনতাইকারী

দিনে তারা ছাত্রলীগ নেতা, রাতে ছিনতাইকারী

দিনে তারা ছাত্রনেতা। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের সাথে জড়িত। বিভিন্ন দিবসে নিজের গ্রুপের শীর্ষ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতার ছবি দিয়ে বড় বড় ব্যানার ও বিলবোর্ড লাগায় তারা। করোনার এই অতিমারিকালে কয়েকজন এলাকায় ত্রাণ বিতরণও করেছে। বাইরে থেকে দেখলে তাদেরকে মানবিক ছাত্রনেতাই মনে হয়। কিন্তু দিনের এই মানবিক নেতারা রাতে হয়ে ওঠে ভয়ংকর। রূপ পাল্টে হয়ে যায় ছিনতাইকারী। মোটরসাইকেল ছিনতাই করাই তাদের পেশা। সিলেট জেলাজুড়ে রয়েছে তাদের নেটওয়ার্ক। পুলিশের হাতে এই চক্রের ৭ সদস্য গ্রেফতারের পর বের হয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর এমন তথ্য। মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেট সনাক্ত ও তাদের ধরতে গেল কয়েকদিন ধরে মাঠে নামে সিলেট জেলা পুলিশ। গত সোম ও মঙ্গলবার মিলে জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা থেকে ওই সিন্ডিকেটের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার করা হয় দুটি চোরাই মোটরসাইকেল। গ্রেফতারকৃতরা হলো- কোম্পানীগঞ্জ থানার দক
ভাইরাসের সংক্রমণে দেশের সর্বোচ্চ তালিকায় সিলেট

ভাইরাসের সংক্রমণে দেশের সর্বোচ্চ তালিকায় সিলেট

  এবার দেশের জেলা পর্যায়ে করোনাভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণ শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী ও আশপাশের জেলাগুলোতে সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষণীয়। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের সংক্রমণের হার ৬ থেকে ১০ শতাংশে উঠে এসেছে। বর্তমানে উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা সংক্রমণের হার ৬৩ শতাংশ এবং পার্শ্ববর্তী জেলা রাজশাহীতে এই হার ৪১ শতাংশে উঠেছে। অর্থাৎ এই জেলাগুলোতে ভাইরাসের সংক্রমণশীলতা অত্যধিক। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের ৩৭টি জেলাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করেছে। এমন পরিস্থিতি আশংকাজনক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৪০ শতাংশের ওপরে সংক্রমণ রয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও খুলনায়। ২০ থেকে ২৯ শতাংশ সংক্রমণ রয়েছে সিলেট, ঝালকাঠি, রাজশাহী, নাটোর ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা এবং ফরিদপুরে। এছাড়া ১০ থেকে
সীমানা নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১, আহত- ২০

সীমানা নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১, আহত- ২০

বানিয়াচং প্রতিনিধি :: -  হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ১১নং মক্রমপুর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামে বুধবার (২৬ মে) সকাল সাড়ে দশ ঘটিকায়  এ ঘটনা ঘটে। জানাযায়, বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের কারণে  দু’পক্ষের সংঘর্ষে গোলাপজান বিবি (৬৬) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিশ্চিন্তপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে একই গ্রামের কাদির মিয়ার মধ্যে বাড়ির সীমানা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য বুধবার সকালে শালিস বৈঠকের আয়োজন করে উভয়পক্ষ। শালিসে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে উভয়পক্ষের লোকজনই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের উপর হামলা চালাতে থাকে। হামলার সময় ঘটনাস্থলেই মোহাম্মদ আলীর মা গোলাপজান বিবি টেটাবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় আহত হয়েছে প্রায় ২০ জন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে বানিয়াচং থানা পুলিশ ঘটনাস্থল
ড.মফছির মিয়ার ইন্তেকালে এডভোকেট পাবেল চৌধুরীর শোক

ড.মফছির মিয়ার ইন্তেকালে এডভোকেট পাবেল চৌধুরীর শোক

সুনামগঞ্জ জর্জ আদলতের খ্যাতিমান বিজ্ঞ আইনজীবি ড. মফছির মিয়া (৬৩) গত ১৯মে বুধবার সকাল ১০ ঘটিকায় কিডনী জনিত অসুস্থতায় সিলেটের একটি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ড.মফছির মিয়া সুনামগন্জ জেলার দিরাই উপজেলার ধল আশ্রম গ্রামের মৃত মোঃ মানুল্লা মিয়ার বড় ছেলে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিভাগে উচ্চতর ডিগ্রি লাভের পর পিতার ইচ্ছা অনু্যায়ী নিজেকে আইন পেশায় নিযুক্ত করেন । দীর্ঘ পেশা জীবনে তিনি সুনামগঞ্জ আদলতের জিপিসহ এখানকার আইনজীবি সমিতির সভপতির দায়িত্বও অত্যান্ত সুনামের সহিত পালন করেন। এছাড়া মাত্র কয়েক বছর আগে তিনি আইনের উপর পিএইচডি করে ড. ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়া তিনি দীর্ঘ দিন সুনামগন্জ জেলা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন,এই গুনী ব্যক্তির মৃত্যুত গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও বিগত সংসদ নির্বাচনে সুনামগন্জ-2( দিরাই-শাল্ল
JS security